উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সূত্রে জানা গেছে, শাহীনুর পারভীন ২০১৭ সালের ৭ ফেব্রুয়ারি সৈয়দপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে পাঁচ দিনের ছুটি নিয়েছিলেন। এরপর দুই বছরের বেশি সময় কর্মস্থলে অনুপস্থিত ছিলেন তিনি। এর মধ্যে অনুমতি ছাড়া অনুপস্থিতির কারণ জানতে চেয়ে একই বছরের ২ এপ্রিল তাঁকে চিঠি পাঠায় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। তবে ওই চিঠির কোনো জবাব তিনি দেননি। এরপর ২০১৯ সালে ৭ জুলাই কর্মস্থলে যোগদানের জন্য একটি চিঠি দেন তিনি। অনুমতি ছাড়া কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকায় ২০১৯ সালের ১৩ অক্টোবর শাহীনুর পারভীনের বিরুদ্ধে একটি বিভাগীয় মামলা হয়। মামলার শুনানিতে তিনি উপস্থিত হন ২৭ অক্টোবর। শুনানিতে তাঁরা উত্তর সন্তোষজনক না হওয়ায় তাঁকে বরখাস্তের সিদ্ধান্ত নেয় কর্তৃপক্ষ।

সৈয়দপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের একাধিক কর্মকর্তা জানান, শাহীনুর পারভীন পাঁচ দিনের ছুটি নিয়ে চীনে যান। সেখানে তিনি উচ্চশিক্ষা গ্রহণ ও একটি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করেন। কিন্তু অন্যদিকে দেশে নার্সের চাকরির সব সুযোগ-সুবিধাও নেন।

নার্সিং ও মিডওয়াইফারি অধিদপ্তর থেকে দেওয়া চিঠিতে স্বাক্ষর করেন অধিদপ্তরের অতিরিক্ত সচিব সিদ্দিকা আকতার। এ নিয়ে ওই নার্সের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন