সুখাইড় রাজাপুর উত্তর ইউনিয়নের ইসলামপুর গ্রামের বাসিন্দা জাকির হোসেন প্রথম আলোকে বলেন, দীর্ঘক্ষণ বিদ্যুৎ না থাকায় ফ্রিজে রাখা মাছ-মাংস নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। যানবাহন ও মুঠোফোনে চার্জ করা যাচ্ছে না। সৌরবিদ্যুৎ দিয়ে কোনোমতে কাজ চালানোর জন্য মুঠোফোনে চার্জ দিলেও তা বেশিক্ষণ স্থায়ী হচ্ছে না। বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকায় ব্যবসা ও সার্বিক যোগাযোগ ব্যাহত হচ্ছে।

শরীয়তপুর গ্রামের বাসিন্দা ও সাবেক ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান ফরহাদ আহমেদ বলেন, ‘পাঁচ দিন ধরে আমাদের ইউনিয়নে বিদ্যুৎ নেই। বিদ্যুৎ না থাকায় মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাপন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। বিদ্যুতের খুঁটি ও লাইন মেরামতের কাজে আরও গতি বাড়ানো উচিত।’

সুখাইড় রাজাপুর উত্তরের ইউপি চেয়ারম্যান নাসরিন সুলতানা প্রথম আলোকে বলেন, ঝড়ের কারণে তাঁর ইউনিয়নের ২৩টি গ্রামে গত মঙ্গলবার রাত থেকে বিদ্যুৎ নেই। বিদ্যুৎ না থাকায় ইউনিয়নবাসীকে অবর্ণনীয় দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির গাফিলতি ও উদাসীনতার কারণে এখনো বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ আছে। জনদুর্ভোগ লাঘবে সমস্যা সমাধানে বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষের দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তিনি।

সুনামগঞ্জ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির জামালগঞ্জ আঞ্চলিক কার্যালয়ের কর্মকর্তা সিরাজুল ইসলাম মুঠোফোনে প্রথম আলোকে বলেন, ঝড়ের কারণে জামালগঞ্জ উপজেলা সদর থেকে ধর্মপাশা উপজেলার সুখাইড় রাজাপুর উত্তর ইউনিয়ন পর্যন্ত বিভিন্ন স্থানে পল্লী বিদ্যুতের সাতটি খুঁটি ভেঙে পড়েছে। বিভিন্ন জায়গায় বিদ্যুতের তার ছিঁড়ে গেছে। ঠিকাদারদের মাধ্যমে এসব স্থানে নতুন খুঁটি বসানো ও লাইন মেরামতের কাজ চলমান। পল্লী বিদ্যুতের লোকজনও লাইন মেরামতের কাজ করছেন। দ্রুততম সময়ের মধ্যে বিদ্যুৎ সরবরাহ করার চেষ্টা করছেন তাঁরা। গ্রাহকদের নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহের জন্য তাঁদের প্রচেষ্টা অব্যাহত আছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন