বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ইসহাক ঢাকায় পোশাক কারখানায় কাজ করতেন। ঈদের ছুটিতে তিনি বাড়ি ফিরছিলেন। ঢাকা থেকে দৌলতদিয়ায় আসার পর তিন চাকার একটি অটোরিকশায় কুষ্টিয়ার কুমারখালীর উদ্দেশে রওনা দেন। পাংশা উপজেলার বাসস্ট্যান্ড পার হওয়ার পর বিপরীত দিকে থেকে আসা একটি ট্রাকের সঙ্গে অটোরিকশাটির সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলেই ইসহাক ও তাঁর মেয়ে শিখা মারা যান। স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়ার সময় মালেক মারা যায়।

পাংশা হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) লিয়াকত আলী বলেন, রাত সাড়ে ১১টার দিকে দুর্ঘটনাটি ঘটেছে। এতে একই পরিবারের তিনজন মারা গেছেন। ট্রাকটিকে জব্দ করা সম্ভব হয়নি।

পাংশা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের উপসহকারী কমিউনিটি চিকিৎসা কর্মকর্তা তিতুমীর বিশ্বাস বলেন, তিনজনই ঘটনাস্থলে মারা গেছেন। তাঁদের মধ্যে আবদুল মালেককে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসা হয়। তবে আনার আগের সে মারা গেছে। আহত ব্যক্তিদের মধ্যে আশরাফুল ইসলামের শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় তাঁকে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। কিন্তু তিনি কুষ্টিয়া হাসপাতালে গেছেন। অপর নারী নাজমার অবস্থা গুরুতর নয়।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন