ইউসুফ মিয়ার ভাষ্য, কিছু দিন আগে তিনি নাহিদুলের দোকান থেকে একটি খাট বানিয়েছিলেন। খাট বানানো বাবদ প্রায় সব টাকা পরিশোধ করা হয়েছে। ৪৫০ টাকা বকেয়া ছিল। ঈদের কয়েকদিন আগে নাহিদুল তাঁর বাড়িতে এসে পাওনা টাকার জন্য গালাগাল করেন। এ সময় ইউসুফ মিয়া নাহিদুলকে জানান, তাঁর ছোট ছেলে কয়েকদিন আগে পানিতে ডুবে মারা গেছে। তাঁর হাতে টাকা নেই। সপ্তাহখানেক পর তিনি টাকা পরিশোধ করার আশ্বাস দেন। তবুও নাহিদুল এ সময় তাঁর গায়ে হাত তোলেন বলে তিনি দাবি করেন। এ সময় তাঁদের দুজনের মধ্যে বাগ্‌বিতণ্ডা হয়।

ইউসুফ মিয়া বলেন, ঈদের দিন তাঁর ছেলে সাহেদ হোসেন বন্ধুদের সঙ্গে ঘুরতে বের হয়। এ সময় নাহিদুলসহ কয়েকজন অস্ত্র ঠেকিয়ে তাঁর ছেলেকে তুলে নিয়ে যান। পরে নাহিদুলের সঙ্গে থাকা নাজমুলের বাড়িতে নিয়ে সাহেদকে গাছের সঙ্গে বেঁধে মারধর করা হয়। খবর পেয়ে তিনি বাড়িতে এসে থানায় ফোন দেন। পরে স্থানীয় ইউপি সচিব ও গ্রাম পুলিশ সেখান থেকে তাঁর ছেলেকে উদ্ধার করে নিয়ে আসে।

জানতে চাইলে বুড়িচং থানার উপপরিদর্শক শরিফ রহমান বলেন, ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়া গেছে। মামলার এজাহারভুক্ত তিন আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আজ সকালে তাঁদের কুমিল্লার আদালতে হাজির করা হয়। এ সময় আদালতের বিচারকের নির্দেশে তাঁদের কুমিল্লা কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন