বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

অভিযানে বন্য প্রাণী ও প্রকৃতি সংরক্ষণ অঞ্চলের বন সংরক্ষক মোল্লা রেজাউল করিম, বন্য প্রাণী ব্যবস্থাপনা ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগের সিলেট বিভাগীয় বন কর্মকর্তা (ডিএফও) রেজাউল করিম চৌধুরী প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। অভিযানে সহায়তা করেন বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন (বাপা) সিলেটের সদস্যরা।

বাপা সিলেটের সাধারণ সম্পাদক আবদুল করিম চৌধুরী প্রথম আলোকে বলেন, টানা দুই সপ্তাহের পর্যবেক্ষণের পর বন্য প্রাণী ব্যবস্থাপনা ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগ থেকে এ অভিযান চালানো হয়।

রাত ৯টা থেকে সাড়ে ১০টা পর্যন্ত অভিযান চলাকালে মদিনা মার্কেট এলাকায় দেখা যায়, সাদা বক বিক্রির জন্য যে লোকটি পাখিকুঞ্জের সাইনবোর্ডের পাশে দাঁড়িয়েছিলেন, তিনি মূলত পাখিশিকারি। আটক পাখিশিকারি ও বিক্রেতা ইয়াহিয়া আহমদ বলেন, সিলেটের গোলাপগঞ্জ এলাকার হাওর থেকে তিনি সাদা বক ও কানিবক শিকার করে এনেছেন। প্রতিটি বক ২০০ থেকে ৪০০ টাকায় বিক্রি করেন তিনি।

বন্য প্রাণী ব্যবস্থাপনা ও প্রকৃতি সংরক্ষণ অঞ্চল বাংলাদেশের বন সংরক্ষক মোল্লা রেজাউল করিম বলেন, শীত মৌসুমের আগে এ রকম অভিযান সচেতনতা সৃষ্টিতে সহায়তা করবে। অভিযান শেষে তিনি প্রথম আলোকে বলেন, বক কৃষকের বন্ধু। এরা প্রচুর পরিমাণ পোকামাকড় খায়। এ কারণে ফসল উৎপাদন ভালো হয়। বক যখন ধানখেতের মাঝখান দিয়ে হাঁটে, তখন মাটি নরম হয়। এতে ধানের গোড়ায় বাতাস প্রবাহিত হয়। সেই সঙ্গে ধানে ক্ষতিকর অনেক পোকা আছে, যা এ বকগুলো খায়। কিছু মানুষ উপকারী এই পাখিগুলো শিকার করে খেয়ে ফেলছে। এতে পরিবেশের যেমন ক্ষতি হচ্ছে, তেমনই ধানের উৎপাদন বৃদ্ধির প্রাকৃতিক শক্তির বিনাশ হচ্ছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন