বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাটি হচ্ছে মোবারকপুর ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডভুক্ত। এ ওয়ার্ডের সদস্য মো. মোস্তফা প্রথম আলোকে বলেন, ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সংখ্যা আগে ছিল ২৩। এখন বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৮। এ সংখ্যা আরও বাড়তে পারে। ক্ষতিগ্রস্তদের মধ্যে হিন্দু পরিবারগুলো আশ্রয় নিয়েছে স্থানীয় একটি মন্দিরে। অন্যান্যের মধ্যে কেউ আত্মীয়স্বজনের বাড়ি, কেউ পার্শ্ববর্তী আমবাগানে আশ্রয় নিয়েছে। গ্রামটিতে চলছে কান্নার রোল। প্রায় সবাই দরিদ্র। বেশির ভাগই ঋণ নিয়ে পাকা ও আধা পাকা বাড়ি করেছে। খাল থেকে হঠাৎ করে পানি নেমে যাওয়াকেই দায়ী করছে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষেরা।

বাড়িঘর ক্ষতিগ্রস্তের খবর পেয়ে শিবগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সাকিব-আল-রাব্বি গত বৃহস্পতিবার এলাকাটি পরিদর্শন করেন। তিনি বলেন, খালপাড়ের মাটি দেবে গেছে। এ কারণে বাড়িঘরে ফাটল দেখা দিয়েছে। কিছু বাড়ি ধসে পড়েছে, মেঝে দেবে গেছে। ওই সব বাড়িঘরের মানুষ পার্শ্ববর্তী আত্মীয়স্বজনের বাড়ি ও একটি আমবাগানে আশ্রয় নিয়েছে। খালপাড়ের মাটি অপেক্ষাকৃত নরম। অন্যদিকে মাটি ঠিকমতো পাইলিং না করে সেখানে পাকা বাড়ি নির্মাণ করা হয়। খাল থেকে হঠাৎ পানি নেমে যাওয়ায় এ সমস্যার সৃষ্টি হয়েছে বলে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের কাছ থেকে এমন অভিযোগ পাওয়া গেছে।

ইউএনও বলেন, আশ্রয় হারানো পরিবারগুলোকে বলা হয়েছে, তারা ইচ্ছা পোষণ করলে তাদের আশ্রয়ণ প্রকল্পে পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করা হবে। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সংখ্যা ২০ থেকে ২৫।

এ ব্যাপারে পানি উন্নয়ন বোর্ড চাঁপাইনবাবগঞ্জের নির্বাহী প্রকৌশলী সারোয়ার জাহান এবং শিবগঞ্জের দায়িত্বে থাকা উপসহকারী প্রকৌশলী চান মিয়ার সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়। তবে তাঁরা এ ব্যাপারে কিছুই জানেন না বলে দাবি করেন।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন