বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

কিশোরগঞ্জের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট (এডিএম) ফারজানা খানম বলেন, শনিবার সকাল ৯টায় মসজিদের ৮টি দান সিন্দুক খোলা হয়। সিন্দুক থেকে ১২টি বস্তায় টাকা ভরা হয়। এরপর মেঝেতে রেখে শুরু হয় দিনব্যাপী টাকা গণনা। টাকা গণনায় মসজিদ ও মাদ্রাসার দেড় শতাধিক ছাত্র-শিক্ষক ছাড়াও রূপালী ব্যাংকের প্রায় ৫০ জন কর্মকর্তা অংশ নেন।

টাকা গণনার কাজ তদারক করেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ শামীম আলম, পৌরসভার মেয়র ও পাগলা মসজিদ কমিটির সাধারণ সম্পাদক মাহমুদ পারভেজ, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) মোহাম্মদ গোলাম মোস্তফা, সহকারী কমিশনার (ভূমি) সাগুফতা হক, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শিহাবুল আরিফ, মাহামুদুল হাসান, শফিকুল ইসলাম, অর্ণব দত্ত ও পাগলা মসজিদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা শওকত উদ্দিন ভূঞাসহ পাগলা মসজিদের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।

স্থানীয় লোকজনের মাধ্যমে জানা যায়, প্রতিদিন অসংখ্য মানুষ মসজিদটিতে বৈদেশিক মুদ্রা, টাকা-পয়সা ছাড়াও স্বর্ণালংকার, গবাদিপশু, হাঁস-মুরগিসহ বিভিন্ন ধরনের জিনিসপত্র দান করেন। কথিত আছে, খাস নিয়তে এই মসজিদে দান করলে মনোবাসনা পূর্ণ হয়। সে জন্য দূরদূরান্ত থেকে ধর্ম–মতনির্বিশেষে অসংখ্য মানুষ এখানে দান করে থাকেন।

কিশোরগঞ্জ জেলা শহরের নরসুন্দা নদীর তীরে এই মসজিদের অবস্থান। দেশের অন্যতম আয়কারী ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান হিসেবে স্বীকৃত মসজিদটির ‘পাগলা মসজিদ ইসলামি কমপ্লেক্স’ নামকরণ হয়েছে। এ মসজিদের আয় দিয়ে কমপ্লেক্স ভবন নির্মাণ করা হয়েছে। এ ছাড়া মসজিদের আয় থেকে বিভিন্ন সেবামূলক খাতসহ জটিল রোগীদের চিকিৎসায় ব্যয় করা হয়।

পাগলা মসজিদ কমিটির সভাপতি মোহাম্মদ শামীম আলম বলেন, এবার গণনা শেষে যে ৩ কোটি ৭ লাখ ১৭ হাজার ৫৮৫ টাকা পাওয়া গেছে, তা রূপালী ব্যাংকে জমা করা হয়েছে। এ ছাড়া বিভিন্ন দেশের মুদ্রাসহ বেশ কিছু স্বর্ণালংকার পাগলা মসজিদের দান বাক্সে জমা পড়েছে। এখানে ১০০ কোটির বেশি টাকা দিয়ে বড় আকারে ‘পাগলা মসজিদ ইসলামি কমপ্লেক্স’ নির্মাণের পরিকল্পনা চলছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন