বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

র‍্যাব-৭ চট্টগ্রামের সহকারী পরিচালক (গণমাধ্যম) নিয়াজ মোহাম্মদ প্রথম আলোকে বলেন, চট্টগ্রামের ফটিকছড়ির দরিদ্র পরিবারের মেয়েটি হাটহাজারীতে একটি বাসায় কাজ করে। গত মঙ্গলবার থেকে ওই তরুণী নিখোঁজ ছিলেন। অনেক খোঁজাখুঁজির পর তাঁকে না পেয়ে তরুণীর বাবা বাদী হয়ে হাটহাজারী থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। পরে র‍্যাব তথ্যপ্রযুক্তির মাধ্যমে তরুণীর অবস্থান শনাক্ত করে। ঢাকার ফকিরাপুলের একটি বাস কাউন্টারের সামনে থেকে ওই তরুণীকে উদ্ধার করে র‍্যাব।

নিয়াজ মোহাম্মদ বলেন, তরুণের কাছ থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ঢাকার গাবতলী থেকে নাঈম ও আসাদুজ্জামানকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাঁদের কাছ থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে চক্রটির আরেক সদস্য ফাতেমা বেগমকে হাটহাজারী থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।
র‍্যাব-৭ জানায়, গ্রেপ্তার তিনজনকে প্রাথমিকভাবে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। তাঁরা ওই তরুণীকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে পাচারের জন্য চট্টগ্রাম থেকে ঢাকায় নিয়ে যাওয়ার কথা স্বীকার করেছেন।

র‍্যাব-৭ চট্টগ্রামের সহকারী পরিচালক নিয়াজ মোহাম্মদ বলেন, গ্রেপ্তার তিনজন মানব পাচারকারী চক্রের সক্রিয় সদস্য। তাঁরা দীর্ঘদিন ধরে অপ্রাপ্তবয়স্ক ও তরুণীদের সরলতা, দারিদ্র্য, অসহায়ত্বকে কাজে লাগিয়ে পাচার করে আসছেন।

তিন ব্যক্তির বিরুদ্ধে হাটহাজারী থানায় মামলা হয়েছে বলে জানায় র‍্যাব-৭।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন