বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

এ মামলায় গ্রেপ্তার অন্য দুজন হলেন মো. আক্তার হোসেন (২২) ও মো. লিমন মিয়া (২৮)। এর মধ্যে আক্তার জৈন্তাপুরের ও লিমন সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলার বাসিন্দা। তবে মামলায় গ্রেপ্তার হওয়া তিনজনসহ মোট চারজনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। অভিযুক্ত আরেকজনকে পলাতক দেখানো হয়েছে।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বৃহস্পতিবার রাতে পুলিশ সিলেট-তামাবিল আঞ্চলিক মহাসড়কের পীরের বাজার এলাকায় একটি ব্যক্তিগত গাড়ি থামায়। এ সময় সিলেট শহরগামী গাড়িটি তল্লাশি করে কাগজের বাক্সে মোড়ানো অবস্থায় পুলিশ ভারতীয় বিভিন্ন ব্র্যান্ডের ১০০টি মুঠোফোন উদ্ধার করে। উদ্ধার হওয়া মুঠোফোনগুলোর আনুমানিক মূল্য প্রায় ১২ লাখ ৫১ হাজার টাকা বলে দাবি করেছে পুলিশ। আওয়ামী লীগ নেতা লিয়াকত আলী ভারত থেকে অবৈধ পথে মুঠোফোন সিলেটে নিয়ে আসার ব্যাপারে সহযোগিতা করেন বলে মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।

পু‌লিশ জানায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আসামিরা জানিয়েছেন, তাঁরা মুঠোফোনগুলো অবৈধভাবে ভারত থেকে পাচার করে বি‌ক্রির জন্য সিলেট নগরের করিমউল্লাহ মার্কেটের মো. শিপলু নামের এক ব্যবসায়ীর কাছে নিয়ে যাচ্ছিলেন।

শাহপরান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সৈয়দ আনিসুর রহমান বলেন, গ্রেপ্তার তিনজনকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। মামলার আরেক আসামিকে গ্রেপ্তারের অভিযান চলছে। এ ছাড়া চোরাচালানে ব্যবহৃত ব্যক্তিগত গাড়িটিও জব্দ করা হয়েছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন