default-image

লালমনিরহাটের পাটগ্রাম উপজেলার বুড়িমারীতে আবু ইউনুস মোহাম্মদ শহীদুন্নবী জুয়েলকে পিটিয়ে ও পুড়িয়ে হত্যার ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে জেলা প্রশাসনের গঠিত তদন্ত কমিটি। আজ সোমবার দুপুরে কমিটির সদস্যরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন ও প্রত্যক্ষদর্শীদের সাক্ষ্য নেন।

তদন্ত কমিটির নেতৃত্বে আছেন লালমনিরহাটের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট টি এম এ মমিন। কমিটির আরও দুই সদস্য হলেন লালমনিরহাটের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রবিউল ইসলাম ও লালমনিরহাট ফায়ার সার্ভিসের উপসহকারী পরিচালক সাহিদুল ইসলাম।

কমিটির সদস্যরা সোমবার বেলা একটার দিকে প্রথমে বুড়িমারী কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ পরিদর্শনে যান। এরপর বুড়িমারী ইউনিয়ন পরিষদ, বুড়িমারীর কাস্টমস বাঁশকল এলাকা সরেজমিনে পরিদর্শন করেন। তাঁরা বুড়িমারী ইউনিয়ন পরিষদ ডাকবাংলোয় শহীদুন্নবীকে পিটিয়ে ও পুড়িয়ে হত্যার ঘটনার সময় উপস্থিত ব্যক্তিদের লিখিত ও মৌখিক সাক্ষ্য নেন।

এখানে কোরআন অবমাননার মতো কোনো ঘটনা ঘটেনি। কমিটিকে তিন কার্যদিবসের মধ্যে জেলা প্রশাসনে প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হলেও কমিটি আরও দু-এক দিন বাড়তি সময় নিতে পারে।
টি এম এ মমিন, তদন্ত কমিটির প্রধান
বিজ্ঞাপন

তদন্ত কমিটিতে লিখিত ও মৌখিক সাক্ষ্য দেন পাটগ্রাম উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান রুহুল আমিন, পাটগ্রাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সুমন কুমার মোহন্ত, উপজেলা প্রকৌশলী মাহবুবার রহমান, বুড়িমারী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবু সাঈদ নেওয়াজ, ইউনিয়ন পরিষদ সচিব মাসুম হোসেন, বুড়িমারী কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের ইমাম সৈয়দ আলী, মোয়াজ্জিন আফিজ উদ্দিন প্রমুখ।

তদন্ত কমিটির প্রধান টি এম এ মমিন বলেন, এখানে কোরআন অবমাননার মতো কোনো ঘটনা ঘটেনি। কমিটিকে তিন কার্যদিবসের মধ্যে জেলা প্রশাসনে প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হলেও কমিটি আরও দু-এক দিন বাড়তি সময় নিতে পারে।

গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় বুড়িমারী মসজিদে পবিত্র কোরআন অবমাননার গুজব ছড়িয়ে রংপুরের শালবন মিস্ত্রিপাড়ার আবু ইউনুস মোহাম্মদ শহীদুন্নবীকে পিটিয়ে ও পুড়িয়ে হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় পাটগ্রাম থানায় পৃথক তিনটি মামলা হয়েছে। এসব মামলায় এখন পর্যন্ত ১০ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

মন্তব্য পড়ুন 0