default-image

লালমনিরহাটের পাটগ্রাম উপজেলার বাউরা বাজারে ‘লকডাউন’ কার্যকরের সময় ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা ও সরকারি কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগে ছয় ব্যবসায়ীকে গ্রেপ্তার করেছেন জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) ও পাটগ্রাম থানার পুলিশ। গতকাল রোববার রাতভর বাউরা ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামে অভিযান চালিয়ে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়।

এর আগে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা ও সরকারি কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগে ৪০ ব্যক্তির নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা আসামি করে থানায় মামলা হয়। গত শুক্রবার (৯ এপ্রিল) পাটগ্রাম উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কার্যালয়ের অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক স্বপন কুমার রায় বাদী হয়ে মামলাটি করেন।

গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন বাউরা বাজারের হোটেল ব্যবসায়ী মো. সিরাজ পাটোয়ারি (৬৫), হোটেল ব্যবসায়ী আজগার আলী (৪০), চা–দোকানি হাবিবুল হক (৩৫), কাপড় ব্যবসায়ী আবু তাহের (৪৫), চাল ব্যবসায়ী রুবেল (৩০) ও ব্যবসায়ী নূরনবী (২৫)। তাঁরা সবাই ওই ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামের বাসিন্দা।

বিজ্ঞাপন

মামলা ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, করোনা সংক্রমণ রোধে স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিতকরণ ও ‘লকডাউন’ কার্যকর করতে গত বুধবার (৭ এপ্রিল) বিকেলে উপজেলার বাউরা বাজারে যান ইউএনও ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রামকৃষ্ণ বর্মণ। এ সময় স্বাস্থ্যবিধি না মানায় ও দোকান খুলে রাখার অপরাধে ভ্রাম্যমাণ আদালতে কিছু ব্যবসায়ীকে জরিমানা করা হয়। এ সময় একদল মানুষ ‘ভ্রাম্যমাণ আদালত মানি না, মানব না’ বলে স্লোগান দিয়ে বিক্ষোভ করেন। তাঁরা ইউএনও রামকৃষ্ণ বর্মণসহ অন্যদের ঘেরাও করে ইউএনওর সরকারি গাড়ির ক্ষতি সাধনসহ ফটোকপি অপারেটর লিটন মিয়াকে মারধর করেন। পরে এ ঘটনায় ৯ এপ্রিল পাটগ্রাম ইউএনও কার্যালয়ের অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক স্বপন কুমার রায় বাদী হয়ে থানায় মামলা করেন।

পাটগ্রাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সুমন কুমার মহন্ত ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, নিরাপত্তার কারণে গ্রেপ্তার করা ব্যক্তিদের হাতীবান্ধা থানায় মাধ্যমে আজ সোমবার দুপুরে লালমনিরহাট আদালতে পাঠানো হয়েছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন