বিজ্ঞাপন

রাজধানী ছেড়ে আসা মানুষ দূরপাল্লার বিভিন্ন পরিবহনের বাসে পাটুরিয়া ঘাট এলাকায় আসছেন। এই বাসগুলোকে ফেরির টিকিটের জন্য আধা ঘণ্টা থেকে এক ঘণ্টা ঘাটে অপেক্ষা করতে হচ্ছে। এ ছাড়া লোকাল বাসে করে পাটুরিয়া ঘাটে আসছেন যাত্রীরা। এই যাত্রীদের বৃষ্টিতে ভিজে কিছুটা পথ পায়ে হেঁটে গিয়ে ফেরি ও লঞ্চঘাটে আসতে হয়।

মোটরসাইকেলে করে স্ত্রী ও শিশুসন্তান নিয়ে অনেকে বাড়িতে যাচ্ছেন। এই যাত্রীরা বৃষ্টিতে বেশি ভোগান্তিতে পড়েন। তাঁদের কেউ কেউ বৃষ্টির মধ্যেই মোটরসাইকেল নিয়ে ঘাটে আসেন।

জেলা ট্রাফিক পুলিশের পরিদর্শক জামিউল হক বলেন, গতকালের চেয়ে আজ সকালে যাত্রী ও যানবাহনের চাপ কিছুটা বেশি ছিল। তবে বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে যাত্রী ও যানবাহনের চাপ বেড়েছে। পাটুরিয়া প্রান্তে অর্ধশত যাত্রীবাহী বাস, শতাধিক ব্যক্তিগত গাড়ি ও দুই শতাধিক পণ্যবাহী গাড়ি ফেরি পারাপারের অপেক্ষায় রয়েছে। তবে নদী পারাপারের বাসের চাপ কম থাকলেও যাত্রীর চাপ রয়েছে। লোকাল বাসে করে অধিকাংশ যাত্রী পাটুরিয়ায় আসছেন।

ঢাকার মিরপুর থেকে স্ত্রী ও দুই শিশুসন্তানকে নিয়ে যশোরের শার্শা উপজেলায় গ্রামের বাড়িতে ফিরছিলেন ব্যবসায়ী আমিরুল ইসলাম। বেলা ১১টার দিকে সেলফি পরিবহনের একটি লোকাল বাসে পাটুরিয়া ঘাট এলাকায় আসেন। তিনি বলেন, ‘করোনার ঝুঁকি থাকলেও বাড়িতে বৃদ্ধ বাবা-মা, ভাই-বোন পথ চেয়ে রয়েছে। তাই বাড়ি যাচ্ছি।’

পাটুরিয়ার ৫ নম্বর ঘাট দিয়ে ব্যক্তিগত বিভিন্ন গাড়ি পারাপার করা হচ্ছে। ঘাটের অদূরে আরসিএল চার রাস্তার মোড় থেকে পুলিশ এই গাড়িগুলো ঘুরিয়ে নালী সড়ক দিয়ে ৫ নম্বর ঘাটে পাঠাচ্ছে। ৫ নম্বর ঘাট এলাকায় এসব গাড়িকে ফেরিতে উঠতে এক ঘণ্টার মতো অপেক্ষা করতে হচ্ছে।

লঞ্চেও যাত্রীদের অনেকে নদী পার হচ্ছেন। পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া নৌপথে ২২টি লঞ্চ চলাচল করছে। ধারণক্ষমতার অর্ধেক যাত্রী বহনের নির্দেশনা থাকলেও মাঝেমধ্যে তা মানা হচ্ছে না।

বিআইডব্লিউটিসির আরিচা কার্যালয়ের সহকারী ব্যবস্থাপক (বাণিজ্য) মহিউদ্দিন রাসেল বলেন, পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া নৌপথে ১৬টি ফেরি দিয়ে যাত্রী ও যানবাহন পারাপার করা হচ্ছে। যাত্রী ও যানবাহন বাড়লেও পারাপারে যাত্রীদের সমস্যা হবে না।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন