বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

সংস্থাটির ব্যবস্থাপক অজয় দেবনাথ প্রথম আলোকে জানান, ফেরিটি উদ্ধারের বিষয়ে দ্রুত কাজ শুরু করার জন্য চুক্তি হয়েছে। সোমবার থেকেই কাজ শুরু করা হবে। তাঁদের সংস্থার ২৫০ টন সক্ষমতার তিনটি বার্জ উদ্ধার কাজে অংশ নেবে।

অজয় দেবনাথ জানান, গত শুক্রবার সংস্থাটির উদ্ধারকারী দলের সদস্যরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। ফেরিটি উদ্ধারে বিআইডব্লিউটিএর সঙ্গে প্রাথমিকভাবে দুই কোটি টাকার চুক্তি হয়েছে। তবে পরবর্তী সময়ে উদ্ধার মূল্য পরিবর্তিত হতে পারে।

দুর্ঘটনার চতুর্থ দিন গতকাল শনিবার সন্ধ্যা সাড়ে সাতটা পর্যন্ত ফেরির সঙ্গে ডুবে যাওয়ায় ১৪টি পণ্যবাহী যানবাহন ও ৪টি মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়েছে। এরপর উদ্ধার করা এসব যানবাহন মালিকদের কাছে হস্তান্তর করে পুলিশ।

ঘাট-সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ২৭ অক্টোবর সকাল ৯টার দিকে রাজবাড়ীর দৌলতদিয়ার ৫ নম্বর ঘাট থেকে ১৭টি পণ্যবাহী যানবাহনসহ কয়েকটি মোটরসাইকেল নিয়ে আমানত শাহ ফেরিটি ছেড়ে আসে। মাঝপথে আসার পরপরই ফেরির পেছনের বাঁ দিক থেকে পানি উঠতে থাকে। সকাল পৌনে ১০টার দিকে মানিকগঞ্জের পাটুরিয়ার ৫ নম্বর ঘাটের পন্টুনে ভেড়ামাত্র ফেরি থেকে তিনটি পণ্যবাহী যান দ্রুত থেকে নেমে যায়। এ সময় আরেকটি পণ্যবাহী গাড়ি ফেরি থেকে নামার সময় ফেরিটি এক পাশে কাত হয়ে গেলে গাড়িটি নদীতে পড়ে যায়। এর পরপরই অন্যান্য যানবাহন নিয়ে পন্টুনের কাছে পদ্মা নদীতে ফেরিটি ডুবে যায়। ডুবে যাওয়া যানবাহন উদ্ধারে কাজ শুরু করে উদ্ধারকারী জাহাজ ‘হামজা’। এতে ফায়ার সার্ভিস, নৌবাহিনী ও কোস্টগার্ডের সদস্যরা অংশ নেন। ঘটনার চতুর্থ দিনে গতকাল সকাল থেকে রুস্তম নামের বিআইডব্লিউটিএর উদ্ধারকারী আরেকটি জাহাজ উদ্ধার অভিযানে অংশ নেয়।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন