বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

সরেজমিনে সকালে দেখা যায়, রাজধানী ছেড়ে আসা মানুষ দূরপাল্লার বিভিন্ন পরিবহনের বাসে পাটুরিয়া ঘাট এলাকায় আসছে। এসব বাসকে ফেরির টিকিটের জন্য আধা ঘণ্টা থেকে এক ঘণ্টা ঘাটে অপেক্ষা করতে হচ্ছে। এ ছাড়া লোকাল বাসে করেও পাটুরিয়া ঘাটে আসছে যাত্রীরা। এসব যাত্রী কিছুটা পথ পায়ে হেঁটে গিয়ে লঞ্চে উঠে নদী পার হচ্ছে। সকালে পাটুরিয়া ঘাটে পণ্যবাহী গাড়ির দীর্ঘ সারি দেখা যায়। এ ছাড়া দৌলতদিয়া প্রান্ত থেকে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের মানুষকে ঢাকায়ও যেতে দেখা গেছে। তবে এমন যাত্রীদের সংখ্যা ছিল কম। জরুরি প্রয়োজনে তারা ঢাকায় যাচ্ছিল।

জেলা ট্রাফিক পুলিশের পরিদর্শক জামিউল হক বলেন, গতকাল বৃহস্পতিবার থেকে গণপরিবহন চালু হয়েছে। এতে পাটুরিয়ায় যাত্রী ও যানবাহনের সংখ্যা বাড়তে থাকে। তবে গতকালের চেয়ে আজ যাত্রী ও যানবাহনের চাপ ছিল বেশি। দুপুর ১২টা পর্যন্ত পাটুরিয়া প্রান্তে অর্ধশত যাত্রীবাহী বাস ও অর্ধশত ব্যক্তিগত গাড়ি পারের অপেক্ষায় আছে। এ ছাড়া দুই শতাধিক পণ্যবাহী গাড়ি ফেরি পারাপারের অপেক্ষায় রয়েছে।
স্ত্রী ও দুই শিশুসন্তানকে নিয়ে ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলায় গ্রামের বাড়িতে ফিরছিলেন একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের চাকরিজীবী আমিরুল ইসলাম।

পাটুরিয়ার ৩ নম্বর ঘাটের কাছে ফেরিতে উঠতে অপেক্ষায় থাকা গোল্ডেন লাইন পরিবহনের বাসের যাত্রী আমিরুল বলেন, ‘ঈদের দিন যত ঘনিয়ে আসবে, ঝামেলা ততই বাড়বে। তাই ভোগান্তি থেকে রেহাই পেতে পরিবার নিয়ে আগেই বাড়িতে যাচ্ছি।’
আরিচা ঘাটেও যাত্রী ও যানবাহনের চাপ বাড়ছে। আরিচা-কাজীরহাট নৌপথে ৩টি ফেরি ও ১০টি লঞ্চ দিয়ে যাত্রী ও যানবাহন পারাপার করা হচ্ছে।

বিআইডব্লিউটিসির আরিচা কার্যালয়ের সহকারী ব্যবস্থাপক (বাণিজ্য) মহিউদ্দিন রাসেল বলেন, পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া নৌপথে ১৫টি ফেরি দিয়ে যাত্রী ও যানবাহন পারাপার করা হচ্ছে। পারাপার নির্বিঘ্ন করতে আগামীকাল একটি ফেরি বাড়ানো হবে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন