বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

আশারানী সেতুর দক্ষিণ পাশে ট্রাক নিয়ে আটকা পড়েছেন চালক রমিজ উদ্দিন। তিনি বিকেলে মুঠোফোনে বলেন, প্রায় সাত বছর ধরে সড়কটি ভাঙা। এখন সংস্কারকাজ শুরু হলেও খুবই ধীরগতি।

সড়ক ও জনপথ (সওজ) সূত্রে জানা গেছে, নেত্রকোনা সদর উপজেলার ঠাকুরাকোনা থেকে কলমাকান্দা উপজেলা সদর পর্যন্ত প্রায় ২১ কিলোমিটার সড়কটি দীর্ঘ সাত বছর ধরে বেহাল অবস্থা। সড়কটি সংস্কারে ২০১৮ সালের ১০ এপ্রিল একনেকে ৩১০ কোটি ৫ লাখ টাকা অনুমোদন দেওয়া হয়। এর মধ্যে জমি অধিগ্রহণে প্রায় ১০০ কোটি টাকা, ১১টি পিসি গার্ডার ও আরসি গার্ডার সেতুতে ৭০ কোটি টাকা এবং সড়ক সংস্কারে ১৩০ কোটি টাকা বরাদ্দ রয়েছে। দুটি প্যাকেজে সেতুগুলো ২০১৮ সালের ২৭ ডিসেম্বর এবং দুটি প্যাকেজে গত ২০১৯ সালের ২৪ সেপ্টেম্বর সড়ক সংস্কারের কার্যাদেশ দেওয়া হয়।

সেতুগুলোর কাজ পায় ‘এসিএল এমএইচসিএল ডন জেভি’ নামের একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। আর সড়কের কাজ পায় ‘জন জেভি (জন্মভূমি ওয়াহেদুজ্জামান নির্মিতি)’ ও ‘রানা বিল্ডার্স’ নামের দুটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। এর মধ্যে ‘জন জেভি’ ঠাকুরাকোনা থেকে গোমাই সেতুর অ্যাপ্রোচ পর্যন্ত ১২ কিলোমিটার ৭২ কোটি টাকার কাজ পায়। সেতুগুলোর কাজ শেষের সময়সীমা ২০২০ সালের জানুয়ারি আর সড়কের মেয়াদ ২০২১ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত। সে হিসাবে সেতুর কাজের সময়সীমা এক বছর তিন মাস আগে শেষ হয়। পরে কাজ শেষের সময়সীমা বাড়ানো হয় বলে জানিয়েছে সওজ।

এ ব্যাপারে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান এসিএল এমএইচসিএল ডন জেভির ব্যবস্থাপক আনোয়ারুল ইসলামের মুঠোফোন বন্ধ পাওয়া যায়।

নেত্রকোনা সড়ক ও জনপথ বিভাগের উপবিভাগীয় প্রকৌশলী মোহাম্মদ মাইদুল ইসলাম প্রথম আলোকে সন্ধ্যায় বলেন, পাথরবোঝাই ট্রাক নিয়ে বিকল্প সেতুটি ভেঙে গেছে। তা মেরামত করতে দু–তিন দিন লেগে যাবে। কারণ, বিভিন্ন মালামাল সংগ্রহ করতে হবে। তিনি জানান, সেতুগুলোর কাজ শেষের মেয়াদ জুন পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। এর মধ্যে আশা করা যাচ্ছে, সব কাজ শেষ হয়ে যাবে। এ ছাড়া আশারানীর স্থানে কোনো বিকল্প সেতু প্রকল্পের অন্তর্ভূক্ত ছিল না। ঠিকাদারকে সওজের পক্ষ থেকে বলে তা করানো হয়েছিল।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন