বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গতকাল বৃহস্পতিবার রাতের খাবার শেষে হাবিবুর রহমান নিজ ঘরে ঘুমিয়ে পড়ে। রাতের কোনো এক সময় সে ঘর থেকে বের হয়ে যায়। আজ সকালে হাবিবুরের ঘরের দরজা খোলা অবস্থায় দেখতে পান পরিবারের লোকজন। তাঁরা ধারণা করছিলেন, হাবিবুর প্রতিদিনের মতো চায়ের দোকানে চলে গেছে। এরপর তাকে চায়ের দোকানে না পেয়ে পরিবারের লোকজনের সন্দেহ হয়।

একপর্যায়ে বাড়ির পাশে একটি পানের বরজের ভেতর বাঁশের সঙ্গে রশিতে ঝুলন্ত অবস্থায় হাবিবুরের লাশ দেখতে পান পরিবারের লোকজন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে সকাল সাড়ে ১০টার দিকে হাবিবুরের লাশ উদ্ধার করে।

হাবিবুর আত্মহত্যা করেছে বলে পরিবারের লোকজন ধারণা করছে। কয়েক দিন ধরে পরিবারের লোকজনের সঙ্গে হাবিবুরের কিছুটা মনোমালিন্য চলছিল বলে জানা গেছে।

হাবিবুরের বাবা আতাউর রহমান বলেন, লেখাপড়ার পাশাপাশি হাবিবুর বাড়ির পাশেই চায়ের একটি দোকান চালাত। সে নিজেই লেখাপড়ার খরচ চালাত। তবে কী কারণে সে আত্মহত্যা করেছে, সেটি তিনি জানেন না।

বাগমারা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোস্তাক আহম্মেদ বলেন, প্রাথমিকভাবে এটি আত্মহত্যা বলে মনে হচ্ছে। এ ঘটনায় থানায় অপমৃত্যু মামলা হয়েছে। লাশের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করা হয়েছে। তবে লাশের ময়নাতদন্তের ব্যাপারে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন