বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

এ বিষয়ে নওয়াপাড়া পৌর স্বেচ্ছাসেবক লীগের আহ্বায়ক মেহেদী ইসলাম রাজন আজ প্রথম আলোকে বলেন, বিষয়টি জানার পর নিজাম আকুঞ্জীকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

নওয়াপাড়া পৌরসভার ৫ নম্বর ওয়ার্ড স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি শরিফুল ইসলাম বলেন, ‘নিজাম আকুঞ্জী আমার কমিটির সাধারণ সম্পাদক। তাঁর বিরুদ্ধে শিশুদের ধর্ষণের অভিযোগের বিষয়টি শুনেছি। আমাকে অনেকে ফোন করে জানিয়েছেন।’

ঘটনাটি জানাজানি হলে এলাকাবাসী নিজামকে ধরে পুলিশে খবর দেন। মঙ্গলবার রাতে অভয়নগর থানা-পুলিশ এসে নিজামকে গ্রেপ্তার করে থানায় নিয়ে যায়।

ধর্ষণের শিকার এক শিশুর (১১) চাচা জানান, মঙ্গলবার দুপুরে তাঁর ভাইয়ের ছেলে বাড়ির পাশের মসজিদ থেকে নামাজ পড়ে ফিরছিল। এ সময় নিজাম আকুঞ্জী তাকে মুঠোফোনে পাবজি গেম খেলার কথা বলে ঘরের মধ্যে নিয়ে ধর্ষণ করেন। পরে তাঁর ভাতিজাকে ভয়ভীতি দেখিয়ে তিনি বাড়ি পাঠিয়ে দেন। বাড়ি ফিরে সে তার মা–বাবাকে বিষয়টি জানায়। সঙ্গে জানায়, বিভিন্ন সময় একই কথা বলে আরও পাঁচ শিশুর সঙ্গেও ‘একই কাজ’ করেছেন নিজাম। ওই পাঁচজনের নামও জানায় তাঁর ভাতিজা। ওই পাঁচ শিশুর সঙ্গে যোগাযোগ করলে তারাও বিষয়টি স্বীকার করে। পরে ঘটনাটি জানাজানি হলে এলাকাবাসী নিজামকে ধরে পুলিশে খবর দেন। মঙ্গলবার রাতে অভয়নগর থানা-পুলিশ এসে নিজামকে গ্রেপ্তার করে থানায় নিয়ে যায়।

অভয়নগর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মিলন কুমার মণ্ডল বলেন, ছয় শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা হয়েছে। এক শিশুর অভিভাবক বাদী হয়ে মামলাটি করেছেন। বাকি পাঁচ শিশুর নামও এজাহারে রয়েছে। অভিযুক্ত নিজাম আকুঞ্জীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আজ বুধবার আদালতের মাধ্যমে তাঁকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। আজ যশোর ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে ভিকটিম ছয় শিশুর মেডিকেল চেকআপ করা হয়েছে। এ ছাড়া ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে ২২ ধারায় তাদের জবানবন্দি রেকর্ড করা হয়েছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন