default-image

পাবনার সাঁথিয়া উপজেলার ধোপাদহ ইউনিয়নের দয়রামপুর গ্রামে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষে একজন নিহত ও অন্তত ৯ জন আহত হয়েছেন। এর মধ্যে গুরুতর আহত ৫ জনকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও পাবনা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে এলাকায় আধিপত্য বিস্তার নিয়ে এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় নিহত ব্যক্তি হলেন নাজির উদ্দিন (৩৫)। তিনি ওই গ্রামেরই বাসিন্দা।

স্থানীয় লোকজনের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে ধোপাদহ ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি এনামুল কবিরের সঙ্গে বেশ কিছুদিন ধরে স্থানীয় ইউপি সদস্য তাজমুল হোসেনের বিরোধ চলছিল। সম্প্রতি তাজমুলের পক্ষের লোকজন এনামুলের সমর্থক জসিম উদ্দিনকে মারপিট করে আহত করেন। তিনি হাসপাতালে চিকিৎসা শেষে থানায় লিখিত অভিযোগ দেন। এরপর আজ দুপুরে হাসপাতাল থেকে বাড়ি ফেরার পর এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। প্রতিশোধ নিতে দুই পক্ষ একে অপরকে ধাওয়া করতে থাকে।

সম্প্রতি তাজমুলের পক্ষের লোকজন এনামুলের সমর্থক জসিম উদ্দিনকে মারপিট করে আহত করেন। এরপর আজ দুপুরে হাসপাতাল থেকে বাড়ি ফেরার পর এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। প্রতিশোধ নিতে দুই পক্ষ একে অপরকে ধাওয়া করতে থাকে।
বিজ্ঞাপন

অবস্থা বেগতিক দেখে এনামুল কবিরের সমর্থকেরা তাঁর বাড়িতে আশ্রয় নেন। খবর পেয়ে ইউপি সদস্য তাজমুল হোসেনের সমর্থকেরা বেলা দেড়টার দিকে ওই বাড়িতে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর চালান। এতে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ বাধে। দুই পক্ষ একে অপরের ওপর লাঠিসোঁটা ও দা-বঁটি নিয়ে আক্রমণ চালায়। এতে উভয় পক্ষের অন্তত ১০ জন আহত হন। তাঁদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হলে নাজির উদ্দিন মারা যান। গুরুতর আহত সুমন হোসেন (৩০), নাছির উদ্দিন (৩৫), ইলবাজ প্রামাণিক (৪৫), রাজা হোসেন (৪০) ও জোলেকা খাতুনকে (৩৫) উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও পাবনা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে সাঁথিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আসিফ মোহাম্মদ সিদ্দিকুল ইসলাম বলেন, খবর পেয়ে থানা-পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনেছে। লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তর জন্য পাবনা জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। তবে ঘটনার পর থেকেই দুই পক্ষের লোকজন পালাতক রয়েছেন। থানায় কেউ অভিযোগ করেনি। ঘটনা তদন্ত ও সংঘর্ষে জড়িতদের ধরতে অভিযান চালানো হচ্ছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন