বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী ওমর ফারুকের অভিযোগ, চানলা গ্রামে তাঁর একটি নির্বাচনী কার্যালয় ছিল। সোমবার সন্ধ্যায় আওয়ামী লীগ প্রার্থীর সমর্থকেরা সেই কার্যালয়ে অতর্কিত হামলা করে ভাঙচুর চালান। একই সঙ্গে এলোপাতাড়ি গুলিবর্ষণ ও ধারালো অস্ত্র দিয়ে কার্যালয়ে থাকা লোকজনকে কোপাতে থাকেন। এতে সবুজ হোসেন গুরুতর আহত হন। পরে তিনি মারা যান।

অভিযোগের বিষয়ে আওয়ামী লীগ প্রার্থী আমিন উদ্দিন বলেন, ‘বিদ্রোহী প্রার্থীর অভিযোগ সঠিক নয়। আমার লোকজন কোনো হামলা চালায়নি। যিনি মারা গেছেন, তিনি আমার সমর্থক ছিলেন। বিদ্রোহী প্রার্থীর সমর্থকেরাই তাঁকে মারপিট করেছে। এখন উল্টো দোষ দিচ্ছে।’

সুজানগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মিজানুর রহমান প্রথম আলোকে বলেন, নিহত সবুজের ভাই আনোয়ার হোসেন বাদী হয়ে রাতেই হত্যা মামলা করেছেন। মামলায় ১৫ জনের নাম উল্লেখ ও অজ্ঞাতনামা আরও ৫০ জনকে আসামি করা হয়েছে। আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। নির্বাচনী সহিংসতা রোধে ইউনিয়নে নজরদারি বাড়ানো হয়েছে।

১১ নভেম্বর ভায়না ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন