বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

লিখিত অভিযোগ ও নিহতের পরিবারের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, প্রায় চার বছর আগে রবিউল নিহত আইরুন নেছার মেয়ে আদুরি খাতুনকে বিয়ে করেন। এর পর থেকে তিনি শ্বশুরবাড়িতেই থাকতেন। সম্পর্কের অবনতি হলে আট মাস আগে স্ত্রী-সন্তানকে রেখে নিজ বাড়িতে চলে যান। এর পর থেকে তাঁদের আর যোগাযোগ ছিল না।

গতকাল বিকেলে আইরুন নেছা স্থানীয় বাজারে গেলে জামাতা রবিউলের সঙ্গে দেখা হয়। এ সময় রবিউল স্ত্রীর বিষয়ে কথা বলার জন্য শাশুড়িকে নিজ বাড়িতে নিয়ে যান। বাড়িতে রবিউল এবং তাঁর মা ও বোন আইরুন নেছার সঙ্গে কথা বলার একপর্যায়ে ঝগড়া বাধে। ঝগড়া তুমুল আকার ধারণ করলে রবিউল এবং তাঁর মা–বোন মিলে আইরুন নেছাকে মারপিট করেন। এতে তিনি অসুস্থ হয়ে পড়লে রবিউল ও তাঁর মা–বোন মিলে আইরুন নেছাকে সিরাজগঞ্জের তাড়াশ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাত দেড়টায় তিনি মারা যান।

নিহতের ছেলে আবু সামা অভিযোগ করে বলেন, রবিউল ও তাঁর মা-বোনের পিটুনিতেই মায়ের মৃত্যু হয়েছে। তাঁরা উদ্দেশ্যমূলকভাবে বাড়িতে ডেকে নিয়ে মাকে হত্যা করেছেন। তিনি এর বিচার চান।

ভাঙ্গুড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফয়সাল বিন আহসান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, খবর পেয়ে নিহতের লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের ব্যবস্থা করা হয়েছে। নিহতের ছেলের অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে অভিযুক্ত রবিউলের বোন রেবেকাকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। অপর দুজন পালাতক। প্রাথমিক তদন্তে ঘটনার সত্যতা মিলেছে। লিখিত অভিযোগটি মামলা হিসেবে রেকর্ড করা হবে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন