বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

গ্রেপ্তার আসামিরা হলেন ইউনিয়নের মহাদেবপুর গ্রামের রবিউল ইসলাম রবি (৪০), সিরাজ শেখ (৩৬) ও কোলাদি গ্রামের শহিদুল ইসলাম (৩০)। তাঁদের কাছ থেকে একটি বিদেশি পিস্তল ও একটি পিস্তলের গুলি এবং একটি ওয়ান শুটার গান ও তার তিনটি গুলি উদ্ধার করা হয়েছে।

এর আগে ইউনিয়নের নলদহ গ্রামের নজরুল ইসলাম সরদার (২৪) ও মুন্নাফ খান (২২) নামের দুজন আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাঁদের কাছ থেকেও একটি পিস্তল, একটি ম্যাগাজিন ও একটি গুলি উদ্ধার করা হয়েছিল।

১১ ডিসেম্বর সকাল ৯টার দিকে ভাড়ারা ইউপি নির্বাচনের আওয়ামী লীগের চেয়ারম্যান প্রার্থী আবু সাঈদ খানের সমর্থকদের সঙ্গে স্বতন্ত্র দুই প্রার্থী সুলতান মাহমুদ খান ও ইয়াসিন আলমের সমর্থকদের সংঘর্ষ হয়।

পাবনার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মাসুদ আলম বিষয়টি নিশ্চিত করে প্রথম আলোকে বলেন, গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আগেও অস্ত্র আইনে মামলা রয়েছে। হত্যা মামলায় তাঁদের গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। অস্ত্র আইনে আরও একটি মামলা প্রক্রিয়াধীন।

১১ ডিসেম্বর সকাল ৯টার দিকে ভাড়ারা ইউপি নির্বাচনের আওয়ামী লীগের চেয়ারম্যান প্রার্থী আবু সাঈদ খানের (নৌকা প্রতীক) সমর্থকদের সঙ্গে স্বতন্ত্র দুই প্রার্থী সুলতান মাহমুদ খান ও ইয়াসিন আলমের সমর্থকদের সংঘর্ষ হয়। এতে স্বতন্ত্র প্রার্থী ইয়াসিন আলমসহ ১০ জন আহত হন। তাঁদের মধ্যে গুরুতর জখম ইয়াসিন আলমসহ দুজনের অবস্থার অবনতি হয়। তাঁদের রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পথে ইয়াসিন মারা যান।

নিহত ইয়াসিন আলমের বাবা মোজাম্মেল হক খান বাদী হয়ে হত্যা মামলা করেছেন। মামলায় আওয়ামী লীগের চেয়ারম্যান প্রার্থী আবু সাইদ খানকে প্রধান আসামি করে ৩৪ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। এ ঘটনায় এলাকায় দুপক্ষের মধ্যে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। নির্বাচনের বৈধ প্রার্থীর মৃত্যুতে নির্বাচন কমিশন এই ইউপিতে চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন স্থগিত ঘোষণা করেছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন