বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

আহত ব্যক্তি ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, সপ্তম ধাপের ইউপি নির্বাচনে আজ সাতকানিয়া উপজেলার ১৬ ইউপিতে প্রতীক বরাদ্দের দিন ছিল। দুপুর ১২টার দিকে উপজেলার নলুয়া ইউপির আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী মিজানুর রহমান চৌধুরী তাঁর কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে উপজেলা পরিষদ এলাকায় সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে যাচ্ছিলেন। এ সময় আওয়ামী লীগের প্রার্থী লেয়াকত আলীর কর্মী-সমর্থকেরা মিজানুর রহমান চৌধুরী ও তাঁর কর্মী-সমর্থকদের ওপর হামলা চালান। এতে মিজানুর রহমান চৌধুরী, তাঁর সমর্থক এমরান, আবুল হোসেন ও পুলিশের এএসআই মিজানুর রহমান আহত হন। পরে বেলা একটার দিকে মিজানুর রহমান চৌধুরীর কর্মী–সমর্থক লেয়াকত আলীর কর্মী–সমর্থকদের ওপর পাল্টা হামলা করেন। এতে লেয়াকত আলীর কর্মী রিদোয়ান আহত হন। পরে থানা থেকে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

মিজানুর রহমান চৌধুরী অভিযোগ করেন, ‘পরিকল্পিতভাবেই লেয়াকত আলীর উপস্থিতিতে আমার ও আমার কর্মী-সমর্থকদের ওপর হামলা করা হয়েছে। নির্বাচনের প্রচারের শুরুর দিকেই সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে তাঁরা পেশিশক্তিরই ইঙ্গিত দিলেন।’
বিদ্রোহী প্রার্থী মিজানুর রহমান ও তাঁর কর্মী–সমর্থকদের ওপর হামলার অভিযোগের বিষয়ে আওয়ামী লীগ প্রার্থী লেয়াকত আলী বলেন, ‘প্রতীক বরাদ্দের দিন স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মিজানুর রহমান গাড়ির বহর নিয়ে রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে এসে আচরণবিধি ভঙ্গ করেছেন। তিনি লোকজন নিয়ে উপজেলা পরিষদ এলাকায় এসে আমার কর্মীদের ওপর হামলা করলে রিদোয়ান নামের এক তরুণ আহত হয়েছেন।’

সাতকানিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আবদুল জলিল প্রথম আলোকে বলেন, দুই পক্ষের মধ্যে হামলা ও পাল্টা হামলার খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছিল। হামলা থামাতে গিয়ে পুলিশের এক সদস্য হাতে আঘাত পেয়েছেন। এ ছাড়া ঘটনার সঙ্গে জড়িত দুই পক্ষের দু–একজন সামান্য আহত হয়েছেন। এ ঘটনায় লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন