বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

শনিবার দুপুরে উপজেলার শেরপুর ইউনিয়নের চানপুর ঈদগাহ মাঠের পাশে অবস্থিত একটি ফার্মেসিতে কথা হয় আনিছুর রহমানের সঙ্গে। তিনি জানান, সরকারের সামাজিক নিরাপত্তা খাতের তিনি একজন তালিকাভুক্ত ভাতাভোগী। তাঁর পাসবই নম্বর ৮৫২৪। কিন্তু তাঁর ভাতার টাকা যাচ্ছে তাঁর এলাকার ইউপি সদস্য জসীম উদ্দিনের মোবাইল ব্যাংকিং হিসাব নম্বরে। জসীম উদ্দিন এখানে যুক্ত হলেন কীভাবে, প্রশ্ন করলে আনিছুর বলেন, জসীমের মাধ্যমে তিনি উপজেলা সমাজসেবা কার্যালয়ে আবেদন করেছিলেন। কিন্তু সমাজসেবা কার্যালয়ে তাঁর (আনিছুর) স্থলে জসীম নিজের মোবাইল ব্যাংকিং নম্বর লিখে দিয়েছেন।

আনিছুর বলেন, প্রথমে তিনি প্রতারণার ঘটনাটি বুঝতে পারেননি। তাঁর পরিচিত অনেকেই সরকারি ভাতার টাকা পাচ্ছেন। কিন্তু তিনি টাকা পাননি। পরে সমাজসেবা কার্যালয়ে গিয়ে জানতে পারে যে নম্বরে টাকা ছাড় করা হয়েছে, সেটি জসীমের ব্যক্তিগত মুঠোফোন নম্বর। ওই নম্বরে দুই কিস্তিতে ৪ হাজার ৫১০ টাকা পাঠানো হয়েছে বলে তাঁকে সমাজসেবা কার্যালয় থেকে জানানা হয়েছে।

দুপুরে বাড়িতে গিয়ে জসীম উদ্দিনকে পাওয়া যায়নি। এলাকার লোকজন যে মুঠোফোন নম্বর দিয়ে তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা করেন, সেটি সংগ্রহ করে দুপুর থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত একাধিকবার ফোন করা হলেও সেটি বন্ধ পাওয়া যায়।

এ বিষয়ে উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মা. ইনসান আলী প্রথম আলাকে জানান, এ বিষয়ে তিনি আনিছুর রহমানের সঙ্গে কথা বলবেন।

জানতে চাইলে ইউএনও মো. আবুল মনসুর জানান, অভিযোগটি গুরুতর। তদন্ত করে সত্যতা পাওয়া গেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন