ধোবাউড়া উপজেলা প্রশাসন ও স্থানীয় বাসিন্দাদের সূত্রে জানা যায়, উপজেলায় প্রবহমান খরস্রোতা নেতাই নদ প্রতিবছর পাহাড়ি ঢলের সময় প্লাবিত হয়। নেতাই নদের পানির চাপ বাড়লে বিভিন্ন স্থানে বাঁধ ভেঙে উপজেলার বিভিন্ন গ্রাম প্লাবিত হয়। ভারী বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলের চাপে গত শুক্রবার বিভিন্ন স্থানে নেতাই নদের বাঁধ ভেঙে গ্রামগুলোতে পানি প্রবেশ শুরু করে। উপজেলা প্রশাসনের দেওয়া তথ্যমতে, গত শুক্র ও শনিবার উপজেলার অন্তত ৩০টি গ্রামে পানি প্রবেশ করে। এতে প্রায় এক লাখ মানুষ পানিবন্দী হয়ে পড়ে।

স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, গত শুক্রবার বিকেলে উপজেলার দক্ষিণ মাইজপাড়া ইউনিয়নের খাগগড়া গ্রামে নেতাই নদের বেড়িবাঁধ ভেঙে প্রবল স্রোতে পানি ঢুকতে শুরু করে। এতে অনেক বাড়িঘর তলিয়ে যায়। মানুষের পুকুরের মাছ ভেসে গেছে।

ধোবাউড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফৌজিয়া নাজনীন আজ রোববার বলেন, উপজেলার পাঁচটি ইউনিয়নের অন্তত ৩০টি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। তবে অনেক গ্রামের পানি নেমে গেছে। সরকারিভাবে দুর্গত মানুষদের শুকনো খাবার সরবরাহ করা হয়েছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন