বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

হাসিনা দৌলা বলেন, ‘বিদ্রোহী প্রার্থীদের পায়ের যদি নুলা ভেঙে দেন, আর হাঁটতে পারবে না। সুতরাং আপনারা সাবধান হয়ে যান। আপনাদের পেছনে সরকার এমনিতে লেগে আছে। আমাদের সরকারি সংস্থাগুলো আপনাদের হাঁটতেও দেবে না, আপনাদের ভোট চাইতেও দেবে না। ভোট দিতেও দেবে না। কষ্ট করে কিচ্ছু হবে না। আপনাদের টাকা যদি বেশি হয়, সাভারের এমপি সাহেবরে দিয়ে আসেন। আমরা একটা আওয়ামী লীগের ভবন বানাব।’

হাসিনা দৌলা আরও বলেন, ‘টাকা বেশি হয়েছে তো, অর্থ উপার্জন করেছেন ইয়ে উপায়ে, সে জন্য ওই টাকার মর্ম নাই আপনাদের কাছে। আপনি যে দাঁড়িয়েছেন বিরোধী দলে, আপনাকে কতজন চেনে। আমি আপনাদের খোঁজখবর নিয়েছি। আপনাদের সম্বন্ধে রিপোর্ট ভালো না। সুতরাং যদি সময় থাকে, আজ রাতের মধ্যেই বসে টেলিফোনের মাধ্যমে অথবা চিঠির মাধ্যমে আমাদের জানিয়ে দিন। আমরা আপনাদের বহিষ্কার করব না।’

জানতে চাইলে হাসিনা দৌলা প্রথম আলোকে বলেন, ‘মূলত বক্তব্যটির মধ্য দিয়ে বিদ্রোহী প্রার্থীদের কাছে দলের কঠোর অবস্থানের বিষয়টি পরিষ্কার করেছি। বিরোধী দলে থাকা অবস্থায় নির্যাতনের শিকার হয়েও রাজপথে আমরা সংগ্রাম করে দলকে টিকিয়ে রেখেছি। এখন যদি বিদ্রোহীদের কারণে দলের মনোনীত প্রার্থীকে জয়ী করতে না পারি, সেটি হবে খুবই দুঃখজনক।’ তিনি আরও বলেন, ‘সরকারি সংস্থা তাদের মতোই কাজ করবে। কঠোর বার্তা দিতে আমি এমনটি বলেছি।’

জনসভায় উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মঞ্জুরুল আলম, বনগাঁও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি ও চেয়ারম্যান প্রার্থী সাইফুল ইসলামসহ আওয়ামী লীগ, সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন