বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বেলা সাড়ে ১১টার দিকে নারিকেলবাড়ি গ্রামের গণেশ শিকদারের বাড়িতে আলতাফ হোসেন ভোট চাইতে যান। এ সময় আওয়ামী লীগের ‘ বিদ্রোহী’ চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. নোমান মৃধার নেতৃত্বে ১০–১২ জন দেশি অস্ত্র নিয়ে তাঁদের ওপর হামলা চালান।

স্থানীয় লোকজন ও আহত ব্যক্তিদের সূত্রে জানা গেছে, রোববার বেলা ১১টার দিকে স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থী আলতাফ হোসেন (ঘোড়া প্রতীক) তাঁর সমর্থকদের নিয়ে নারিকেলবাড়ি গ্রামে নির্বাচনী প্রচার চালাতে যান। বেলা সাড়ে ১১টার দিকে নারিকেলবাড়ি গ্রামের গণেশ শিকদারের বাড়িতে আলতাফ হোসেন ভোট চাইতে যান। এ সময় ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি ও ‘ বিদ্রোহী’ চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. নোমান মৃধার (আনারস প্রতীক) নেতৃত্বে ১০–১২ জন দেশি অস্ত্র নিয়ে তাঁদের ওপর হামলা চালান।

হামলা থেকে রক্ষা পেতে স্বতন্ত্র প্রার্থী আলতাফ হোসেনের সমর্থকেরা গণেশ শিকদারের ঘরে আশ্রয় নেন। এ সময় আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী ও তাঁর সমর্থকেরা ওই ঘরের দরজা–জানালা ভেঙে ভেতরে ঢুকে আলী আক্কাস গাজী, টুটুল শেখ ও রাসেল মাঝিকে কুপিয়ে জখম এবং আলতাফ হোসেনকে মারধর করেন। পরে তাঁরা গণেশ শিকদার ও সুশীল শিকদারের ঘরের আসবাব ভাঙচুর করেন।

স্বতন্ত্র প্রার্থী ও বিএনপির নেতা আলতাফ হোসেন বলেন, আওয়ামী লীগ নেতা নোমান মৃধার নেতৃত্বে তাঁদের ওপর হামলা হয়েছে। তবে ওই হামলা চালানোর অভিযোগ অস্বীকার করে নোমান মৃধা বলেন, ‘আমি ও আমার লোকজন ওই হামলার সঙ্গে জড়িত নই। নৌকা মার্কার লোকজন এ ঘটনায় জড়িত। নির্বাচনে আমি মূল প্রতিদ্বন্দ্বী হওয়ায় আমার বিরুদ্ধে এসব অভিযোগ করে আমাকে হয়রানি চেষ্টা করা হচ্ছে।’

আওয়ামী লীগের ‘বিদ্রোহী’ প্রার্থীর অভিযোগের বিষয়ে কথা বলার জন্য আওয়ামী লীগের চেয়ারম্যান প্রার্থী রামপ্রসাদ রায়ের মুঠোফোনে কল করা হলে তা বন্ধ পাওয়া যায়।

পিরোজপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আ জ ম মাসুদুজ্জামান বলেন, দুই স্বতন্ত্র প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে মারামারির ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় রাব্বি হোসেন নামের একজনকে আটক করা হয়েছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন