আজ সকালে মানববন্ধনে বক্তব্য দেন পিরোজপুর সদর উপজেলার কদমতলা ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান মো. সিহাব হোসেন শেখ, সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান আবদুস সালাম শেখ, ইউপি সদস্য উজ্জ্বল হোসেন, নিহত তাজউদ্দিন শেখের বাবা শহিদুল ইসলাম শেখ প্রমুখ।

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, তাজউদ্দিন শেখ একজন নিরীহ মানুষ ছিলেন। কিছু চিহ্নিত সন্ত্রাসী তাঁকে গুরুতর আহত করার পর তিনি খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মারা যান। তাজউদ্দিন শেখের মৃত্যুর চার দিন পার হলেও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এখনো হত্যাকাণ্ডে জড়িত ব্যক্তিদের গ্রেপ্তার করতে পারেনি।

পুলিশ ও পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, ৪ জুলাই বিকেলে তাজউদ্দিন শেখ আদালত থেকে ইজিবাইকে বাড়িতে ফিরছিলেন। শহরের সরকারি সোহরাওয়ার্দী কলেজ–সংলগ্ন ইজিবাইকস্ট্যান্ডে পৌঁছালে চালক তাঁর কাছে অতিরিক্ত ভাড়া দাবি করেন। এ নিয়ে তাঁদের মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে সেখানে থাকা আরও কয়েকজন ইজিবাইকচালক উপস্থিত হয়ে তাজউদ্দিনকে বেধড়ক মারধর করেন। এতে তাজউদ্দিন গুরুতর আহত হলে প্রথমে তাঁকে পিরোজপুর সদর হাসপাতালে ও পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। গত বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি।

পিরোজপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আ জ ম মাসুদুজ্জামান বলেন, তাজউদ্দিনকে পিটিয়ে আহতের ঘটনায় তাঁর বাবা থানায় মামলা করেন। পরে ওই মামলা হত্যা মামলায় রূপান্তর করা হয়েছে। আসামিরা ঘটনার পর থেকে পলাতক। তাঁদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন