বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, গতকাল রাতে শহরের মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্সের সামনের সড়কে কয়েকজন যুবক জিয়াদুলের ওপর হামলা করেন। এ সময় তাঁকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে জখম করে সড়কের ওপর ফেলে রাখা হয়। পরে সজিব নামের এক যুবক গুরুতর আহত অবস্থায় জিয়াদুলকে উদ্ধার করে পিরোজপুর সদর হাসপাতালে নিয়ে যান। হাসপাতালে নেওয়ার পর চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।

পিরোজপুর সদর হাসপাতালের চিকিৎসক তারেক আজিজ বলেন, জিয়াদুলের পায়ে একটি ধারালো অস্ত্রের জখম রয়েছে। অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে তাঁর মৃত্যু হয়েছে। তাঁকে মৃত অবস্থায় হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়েছিল।

নিহত জিয়াদুলের স্ত্রী লিমা বেগম বলেন, জিয়াদুল মাছের ব্যবসা করতেন। ফলের ব্যবসা করার জন্য জিয়াদুল তাঁর ভাইয়ের ছেলে মামুন খানকে সাড়ে সাত হাজার টাকা দেন। কিন্তু মামুন ফলের ব্যবসা না করায় জিয়াদুল তাঁর টাকা ফেরত চান। এ নিয়ে জিয়াদুলের সঙ্গে মামুনের বিরোধ চলছিল। ওই বিরোধের জেরে মামুন খানের নেতৃত্বে জিয়াদুলকে হত্যা করা হয়েছে বলে লিমা বেগম অভিযোগ করেন।

এদিকে জিয়াদুল হক মাদক ব্যবসায়ী বলে দাবি করছে পুলিশ। জেলা পুলিশের গোয়েন্দা শাখার উপপরিদর্শক (এসআই) দেলোয়ার হোসেন বলেন, জিয়াদুলের বিরুদ্ধে একাধিক মাদক মামলা রয়েছে। তিনি মাদকসহ কয়েকবার পুলিশের হাতে গ্রেপ্তারের পর কারাভোগও করেছেন।

পিরোজপুর সদর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আলী রেজা বলেন, পাওনা টাকা নিয়ে ভাইয়ের ছেলে মামুনের সঙ্গে জিয়াদুলের বিরোধ ছিল। এ ঘটনার জেরে তাঁকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। ঘটনার পর পুলিশ জিজ্ঞাসাবাদের জন্য দুজনকে আটক করেছে। এ ঘটনায় মামলা প্রক্রিয়াধীন।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন