বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

মাসুদের ছোট ভাই আলিম খান বলেন, ‘নাদিম আমার ভাই মাসুদের বন্ধু। আজ সকাল থেকে নাদিম আমাদের বাড়িতে ছিলেন। বেলা সাড়ে ১১টার দিকে ফারুক হোসেন শেখের নেতৃত্বে ২০ থেকে ২৫ জনের একটি দল ধারালো অস্ত্র ও লাঠিসোঁটা নিয়ে আমাদের বাড়িতে হামলা করেন। এ সময় আত্মরক্ষার জন্য আমার ভাই ও নাদিম খান দৌড়ে বাড়ির পাশে ধানের খেতে যান। সেখানে তাঁদের কুপিয়ে চলে যান হামলাকারীরা।’

সদর উপজেলার কদমতলা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক হানিফ খান বলেন, নাদিম যুবলীগের কর্মী। সদর উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান বায়েজিদ হোসেনের নির্দেশে তাঁর দুই চাচা সিহাব হোসেন শেখ ও ফারুক হোসেন শেখের নেতৃত্বে নাদিম ও মাসুদের ওপর হামলা করা হয়।

অভিযোগের বিষয়ে বক্তব্য জানতে কদমতলা ইউপি চেয়ারম্যান সিহাব হোসেন শেখ ও তাঁর ভাই ফারুক হোসেন শেখের মুঠোফোনে কল করে বন্ধ পাওয়া যায়। সদর উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান বায়েজিদ হোসেন বলেন, ‘ঘটনার সময় আমি ঢাকায় সচিবালয়ে ছিলাম। আমি ফেসবুক লাইভে এসে দেখিয়েছি কোথায় ছিলাম। গত বুধবার আলী নামের এক ব্যক্তিকে নাদিম ও মাসুদ মারধর করে। এ ঘটনার জের ধরে তাদের ওপর পাল্টা হামলার ঘটনা ঘটে।’

পিরোজপুর সদর হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক আরিফ হাসান বলেন, ধারালো অস্ত্রের কোপে নাদিম খানের ডান হাতের কবজি বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। তাঁর বাঁ হাতসহ শরীরে কোপের জখম আছে। মাসুদ খানের শরীরেও জখম আছে। নাদিমকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। মাসুদকে চিকিৎসা দিয়ে ভর্তি করা হয়েছে।

পিরোজপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আ জ ম মাসুদুজ্জামান বলেন, আধিপত্য বিস্তার ও পূর্বশত্রুতার জের ধরে হামলার ঘটনা ঘটেছে। একজনের কবজি বিচ্ছিন্ন করে দিয়েছে প্রতিপক্ষের লোকজন। এ ঘটনায় মামলা প্রক্রিয়াধীন।

পিরোজপুরের পুলিশ সুপার (এসপি) মোহাম্মদ সাঈদুর রহমান ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে বলেন, এ ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন