আজ বিকেলে পিরোজপুর সদরের হুলারহাট লঞ্চঘাট, মঠবাড়িয়া উপজেলার তুষখালী লঞ্চঘাট ও বড়মাছুয়া স্টিমারঘাট, ভান্ডারিয়ার ভান্ডারিয়া লঞ্চঘাট ও চরখালী লঞ্চঘাট, কাউখালী লঞ্চঘাট, ইন্দুরকানি লঞ্চঘাট, নেছারাবাদ উপজেলার স্বরূপকাঠি ও ইন্দেরহাট লঞ্চঘাট এবং নাজিরপুর উপজেলার বৈঠাকাটা লঞ্চঘাট থেকে নেতা-কর্মীরা লঞ্চে উঠবেন।

জেলা পরিষদের প্রশাসক মহিউদ্দিন মহারাজ বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা স্বপ্নের পদ্মা সেতু উদ্বোধন করবেন। সমাবেশস্থলে যাওয়ার জন্য জেলার নেতা-কর্মীদের জন্য সব ব্যবস্থা করা হয়েছে। আজ বিকেলে লঞ্চগুলো কাউখালী আমরাজুরি ফেরিঘাটে একত্রিত হবে। সেখানে আতশবাজি ফোটানোসহ বিভিন্ন ধরনের আনন্দ-উৎসব সম্পন্ন করে একযোগে লঞ্চগুলো কাঁঠালবাড়ি ঘাটের উদ্দেশে রওনা দেবে। লঞ্চগুলো রাতে কাঁঠালবাড়ি পৌঁছে ফেরিঘাটে অবস্থান করবে। শনিবার সকালে নেতা-কর্মীদের নিয়ে সমাবেশস্থলে যোগ দেওয়া হবে।

মহিউদ্দিন মহারাজ বলেন, ‘১৫ হাজার নেতা-কর্মীর চারবেলা খাবারসহ যাবতীয় ব্যয়ভার আমি ব্যক্তিগতভাবে বহন করব। এদিকে মঠবাড়িয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের একটি পক্ষ মানিক-১ লঞ্চ ভাড়া করেছে। আরেক পক্ষ আমার ভাড়া করা লঞ্চে যাবে।’

পিরোজপুর জেলা আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক শেখ ফিরোজ আহমেদ বলেন, পদ্মা সেতুর উদ্বোধন উপলক্ষে পিরোজপুর জেলা প্রশাসন তিন দিনব্যাপী নানা কর্মসূচি হাতে নিয়েছে। জেলা সদরের সিও অফিস মোড় থেকে সার্কিট হাউস পর্যন্ত এক কিলোমিটার সড়কের দুই পাশে পদ্মা সেতুর ছবি এবং বঙ্গবন্ধু ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছবি দিয়ে বিলবোর্ড টানানো হয়েছে। সড়কে আলোকসজ্জা করা হয়েছে। কাল সকাল নয়টায় জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে আনন্দ র‍্যালি অনুষ্ঠিত হবে। এরপর জেলা স্টেডিয়ামে প্রধানমন্ত্রীর পদ্মা সেতু উদ্বোধন অনুষ্ঠান সরাসরি দেখানো হবে। সেখানে বেলুন, ফেস্টুন ও পায়রা উড়িয়ে পদ্মা সেতুর উদ্বোধন উদ্‌যাপন করা হবে। দুপুরে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান হবে এবং সন্ধ্যায় আতশবাজির আয়োজন করা হবে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন