বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

নতুন আহ্বায়ক কমিটি গঠনে এক পক্ষ খুশি হয়েছে। এই পক্ষের নেতা-কর্মীরা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নতুন কমিটিকে অভিনন্দন জানিয়েছেন। তবে নতুন আহ্বায়ক কমিটি গঠনের পর থেকে প্রতিপক্ষের নেতা-কর্মীদের কোনো প্রতিক্রিয়া দেখা যায়নি। নতুন কমিটি নিয়ে তাঁরা কোনো মন্তব্য করতেও রাজি হননি।

দলীয় সূত্রে জানা গেছে, পিরোজপুর জেলা বিএনপিতে দীর্ঘদিন ধরে অভ্যন্তরীণ কোন্দল চলছে। সদ্য বিলুপ্ত জেলা বিএনপির কমিটির নেতারা তিন পক্ষে বিভক্ত ছিলেন। এক পক্ষে রয়েছেন গাজী নূরুজ্জামান ও আলমগীর হোসেন। আরেক পক্ষের নেতৃত্বে রয়েছেন বিলুপ্ত জেলা কমিটির জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি নজরুল ইসলাম খান ও সহসভাপতি এলিজা জামান। তৃতীয় পক্ষের নেতৃত্ব দিতেন জেলা কমিটির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক সাইদুল ইসলাম।

দলের চারজন নেতার সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, পিরোজপুর জেলা বিএনপিতে যোগ্য নেতৃত্বের অভাব ও দলীয় কোন্দল আগে থেকেই ছিল। এ কারণে ১৯৯৬ সালের নির্বাচন ছাড়া সদর আসনে বিএনপির প্রার্থী জয়লাভ করতে পারেনি। জেলা কমিটির নেতৃত্ব নির্বাচনে দলের নেতা-কর্মীদের মতামতকে কখনোই গুরুত্ব দেওয়া হয়নি। বেশির ভাগ কমিটি কেন্দ্র থেকে চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে।

পিরোজপুর জেলা বিএনপির সাবেক সদস্য ও জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য এম সরোয়ার হোসেন বলেন, সদ্য বিলুপ্ত কমিটি সম্পূর্ণ ব্যর্থ ছিল। ওই কমিটির সভাপতি ও সম্পাদক সরকারবিরোধী কোনো আন্দোলন–সংগ্রামে সফলতা দেখাতে পারেননি। সেই ব্যর্থ কমিটির সাধারণ সম্পাদককে আহ্বায়ক ও সভাপতির ভাইকে সদস্যসচিব করা হয়েছে। এঁদের নেতৃত্বে দল শক্তিশালী হবে বলে মনে হয় না।

তবে পিরোজপুর জেলা বিএনপির সাবেক স্বনির্ভরবিষয়ক সম্পাদক সরদার কামরুজ্জামান বলেন, ‘সদ্য ঘোষিত আহ্বায়ক কমিটিতে যোগ্য নেতৃত্ব এসেছে। আমরা আশা করছি এই কমিটির নেতৃত্বে দল শক্তিশালী হবে। আগামীতে আন্দোলন সংগ্রাম আরও বেগবান হবে।’

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন