বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

নিহত শিশুর পরিবারের সদস্য ও স্থানীয় লোকজন জানান, জান্নাতি গতকাল শনিবার বিকেলে আরও কয়েকটি শিশুর সঙ্গে ওই বিদ্যালয়ের শহীদ মিনারের পাশে খেলছিল। সন্ধ্যার আগমুহূর্তে হঠাৎ ওই শহীদ মিনারের একটি পিলার ভেঙে দাঁড়িয়ে থাকা জান্নাতির ওপর পড়ে। এতে মাথায় গুরুতর আঘাত পেয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়ে সে। উপস্থিত লোকজন ও পরিবারের সদস্যরা তাকে উদ্ধার করে পলাশ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। এ সময় হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক জান্নাতিকে মৃত ঘোষণা করেন।

বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি ও পলাশ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান সৈয়দ জাবেদ হোসেন বলেন, ‘বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির চারজন সদস্য ও দুজন শিক্ষক প্রতিনিধিকে নিয়ে আজ সকালে আমরা জরুরি সভায় বসেছিলাম। দায়িত্বে অবহেলার কারণে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক খোরশেদ আলমকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।’

সৈয়দ জাবেদ হোসেন জানান, এ ঘটনায় গজারিয়া ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান বদরুজ্জামান ভূঁইয়াকে আহ্বায়ক করে তিন সদস্যবিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। তদন্ত কমিটিকে সাত দিনের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে। এ ছাড়া প্রধান শিক্ষক খোরশেদ আলমকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দিয়েছেন পলাশ উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মিলন কৃষ্ণ হালদার।

এ ব্যাপারে সেকান্দরদী উচ্চবিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক খোরশেদ আলমের মুঠোফোনে একাধিকবার কল করা হলেও তিনি ধরেননি।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফারহানা আফসানা চৌধুরী জানান, বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের গাফিলতির কারণে এ দুর্ঘটনা ঘটায় তাঁকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। গতকাল রাতে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে নিহত শিশুর পরিবারের হাতে ২৫ হাজার টাকা তুলে দেওয়া হয়। এ ছাড়া বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির পক্ষ থেকে আজ সকালে আরও এক লাখ টাকা দেওয়া হয়েছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন