বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

এ ঘটনায় আজ শুক্রবার প্রথম আলোর ৩ নম্বর পৃষ্ঠায় ‘পিস্তল ঠেকিয়ে মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার আবেদনে সই’ শিরোনামে সংবাদ প্রকাশিত হয়। খবর প্রকাশের পর পুলিশ অভিযুক্ত শামসুজ্জামান মোহনকে আটক করতে তৎপর হয়।

এর আগে গত বুধবার রাতে জামনগর ইউপি নির্বাচনের স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থী ও ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি গোলাম রাব্বানী থানায় উপজেলা তাঁতী লীগ সভাপতি শামসুজ্জামান মোহনের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ করেন। অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, ওই দিন বিকেলে উপজেলার জামনগর পুলিশ ফাঁড়ির পাশে ব্রিজের ওপরে শামসুজ্জামান মোহনসহ ২০ থেকে ২৫ জন দুটি সাদা মাইক্রোবাসে প্রার্থী গোলাম রাব্বানীকে তুলে নিয়ে মাথায় পিস্তল ঠেকিয়ে মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের আবেদনে সই নেন। এ ঘটনায় গোলাম রাব্বানী নির্বাচনের রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছেও লিখিত অভিযোগ করেন। পুলিশের তদন্তে অভিযোগের সত্যতা পাওয়ায় শুক্রবার বিকেলে শামসুজ্জামানকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গতকাল বৃহস্পতিবার মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ দিনে সশরীর নির্বাচনের রিটার্নিং কর্মকর্তা ও উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা ফেরদৌস আলমের দপ্তরে এসে আবেদন না করায় গোলাম রাব্বানীর মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করা হয়নি বলে জানা গেছে।
বাগাতিপাড়া মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সিরাজুল ইসলাম বলেন, গ্রেপ্তার শামসুজ্জামান মোহনের বিরুদ্ধে অন্য কোনো অভিযোগ নেই। স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থীর অভিযোগেই তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন