বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

আজ দুপুরে গোলাম রাব্বানী প্রথম আলোকে বলেন, ‘বুধবার বিকেলে আমি বাড়ি থেকে রাজশাহী যাওয়ার জন্য রওনা হয়েছিলাম। জামনগর সেতুর ওপর ওঠামাত্র দুটি মাইক্রোবাসে মোহনসহ ২০-২৫ জন যুবক আমার পথরোধ করে এবং আমাকে জোর করে মাইক্রোবাসে তুলে নেয়। পরে মাইক্রোবাসের মধ্যে আমার মাথায় পিস্তল ঠেকিয়ে আমাকে হত্যার হুমকি দিয়ে মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার ফরমে স্বাক্ষর করতে বাধ্য করে। আমি ঘটনাটি লিখিতভাবে থানা-পুলিশ, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও রিটার্নিং কর্মকর্তাকে জানিয়েছি। তাঁরা ব্যবস্থা নেবেন বলে জানিয়েছেন।’

অভিযোগের বিষয়ে তাঁতি লীগের সভাপতি শামসুজামান মোহন বলেন, তিনি এ ধরনের কোনো ঘটনা জানেনই না। তাঁর বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ করা হয়েছে।

রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. ফেরদৌস আলম বলেন, বৃহস্পতিবার বেলা তিনটা পর্যন্ত স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থী গোলাম রাব্বানীর মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের ফরম কেউ জমা দেননি। নিয়ম অনুযায়ী, এ ধরনের দরখাস্ত করতে হলে প্রার্থীকে সশরীর উপস্থিত হয়ে প্রত্যাহার ফরমে স্বাক্ষর করতে হবে। বিশেষ কারণে উপস্থিত থাকতে না পারলে তাঁর পাওয়ার অব অ্যাটর্নিকে থাকতে হবে এবং প্রার্থীকে স্বয়ং ফোনে তাঁর সঙ্গে কথা বলতে হবে। কেউ যদি তাঁর প্রত্যাহার ফরমে সই নেন, তাহলে তা গ্রহণযোগ্য হবে না।

দেশে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের তৃতীয় ধাপে ২৮ নভেম্বর জামনগরসহ বাগাতিপাড়া উপজেলার পাঁচটি ইউনিয়নে ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। আজ বৃহস্পতিবার মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ দিন ছিল।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন