বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

রাত সাড়ে আটটার দিকে কোতোয়ালি মডেল থানার পরিদর্শক (অপারেশন) রাজীব চক্রবর্তী আদালত চত্বর থেকে মুঠোফোনে প্রথম আলোকে বলেন, বিকেল পাঁচটার দিকে আদালতে জবানবন্দি নেওয়া শুরু হয়। প্রথমে জবানবন্দি দেন নাজমুন নাহার চৌধুরী। এরপর নাজমুনের খালাতো ভাই মো. জহিরুল ইসলাম মজুমদার জবানবন্দি দেন। সর্বশেষ জবানবন্দি দেন জহিরুলের বন্ধু ও হত্যাকাণ্ডের অন্যতম সহযোগী মো. মেহেদী হাসান। রাত ৮টা ২০ মিনিটে ওই জবানবন্দি শেষ হয়। টানা ৩ ঘণ্টা ২০ মিনিটের ওই জবানবন্দিতে আসামিরা পুরো হত্যাকাণ্ডের বর্ণনা দেন। এতে তাঁরা সব অপরাধ স্বীকার করেন।

আজ মঙ্গলবার রাত ৮টা ২০ মিনিটে কুমিল্লার ১ নম্বর আমলি আদালতে ১৬৪ ধারায় দেওয়া স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে আসামিরা এই হত্যাকাণ্ডের বর্ণনা দেন।

এর আগে আজ দুপুর ১২টার দিকে কুমিল্লা জেলা পুলিশ সুপার কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে কুমিল্লার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কাজী মো. আবদুর রহীম আসামিদের গ্রেপ্তার ও জিজ্ঞাসাবাদ থেকে পাওয়া তথ্যের বরাতে হত্যার বর্ণনা দেন। তিনি বলেন, নিহত সৈয়দ বিল্লাল হোসেনের বড় ছেলে দুবাইপ্রবাসী সৈয়দ আমান উল্লাহের স্ত্রী নাজমুন নাহার চৌধুরী শিউলি একাধিক পরকীয়া প্রেম করতেন। এসব বিষয় ও পারিবারিক কলহের জের ধরে এই হত্যাকাণ্ড ঘটানো হয়। পুলিশ ২৪ ঘণ্টার মধ্যে এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত সবাইকে গ্রেপ্তার করেছে।

এদিকে সৈয়দ বিল্লাল হোসেনের ছোট ভাই সৈয়দ সুলতান আহমেদ বলেন, ‘আমার দুই ভাতিজা সৈয়দ আমান উল্লাহ দুবাই ও সৈয়দ ছানাউল্লাহ সৌদি আরব থেকে কাল বুধবার ভোর পাঁচটায় ঢাকায় বিমানে এসে পৌঁছার কথা রয়েছে। তাঁরা বাড়ি এলে বুধবারই জানাজা হবে। এখন লাশ ফ্রিজিং গাড়িতে রাখা আছে।’

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন