বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

হেরে যাওয়া দুজন হলেন মুক্তাপুর গ্রামের মোছা. হাওয়ারুন নেছা ও তাঁর পুত্রবধূ মোছা. সুলতানা বেগম। হাওয়ারুন মাইক ও সুলতানা তালগাছ প্রতীক নিয়ে নির্বাচনে অংশ নেন। এই ওয়ার্ডের পাঁচ সদস্য প্রার্থীর মধ্যে ১ হাজার ২৫ ভোট পেয়ে ছায়ারুন বেগম নির্বাচিত হন। ভোটপ্রাপ্তির দিক থেকে শাশুড়ি হাওয়ারুন সবার শেষে থাকলেও তাঁর পুত্রবধূ আছেন তৃতীয় অবস্থানে।

রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, ছায়ারুনের সঙ্গে এখানে নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন লিজা আক্তার। তিনি পেয়েছেন ৭৯৩ ভোট। সুলতানা হয়েছেন তৃতীয়। তিনি পেয়েছেন ৬১৭ ভোট। মার্জিয়া বেগম নামের আরেক প্রতিদ্বন্দ্বী ৫৩৩ ভোট পেয়ে চতুর্থ হয়েছেন। অন্যদিকে ২৯২ ভোট পেয়ে সবার শেষে আছেন হাওয়ারুন।

এলাকার কয়েকজন ভোটার জানান, দুই ভাইয়ের মধ্যে মনোমালিন্যের জেরে মূলত শাশুড়ি ও তাঁর পুত্রবধূ প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নেমেছিলেন। এক ঘরে দুই প্রার্থী থাকায় শুরু থেকেই ভোটারদের আলোচনায় তাঁদের লড়াই নিয়ে এলাকা সরগরম ছিল।
কানাইঘাট উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা তপন কান্তি শীল প্রথম আলোকে বলেন, শান্তিপূর্ণভাবে কানাইঘাটের নয়টি ইউপিতে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। বড়চতুল ইউপিতে ২ নম্বর সংরক্ষিত ওয়ার্ডের পাঁচজন প্রতিদ্বন্দ্বিতাকারীর মধ্যে সুলতানা তৃতীয় ও হাওয়ারুন পঞ্চম হয়েছেন।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন