বেনজীর আহমেদ বলেন, মেধা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে স্বচ্ছতার সঙ্গে পুলিশ সদস্যদের পদোন্নতি দেওয়া হচ্ছে। পুলিশের প্রশিক্ষণে পরিবর্তন আনা হয়েছে। এ লক্ষ্যে প্রশিক্ষণের সিলেবাস আধুনিকায়ন ও যুগোপযোগী করা হয়েছে। প্রশিক্ষণকেন্দ্রগুলোতে উন্নত আবাসনের ব্যবস্থা করা হয়েছে।

পুলিশের নিয়োগ প্রক্রিয়ায় যুগান্তকারী পরিবর্তন আনা হয়েছে উল্লেখ করে আইজিপি বলেন, দীর্ঘ ৪০ বছর পর পুলিশের কনস্টেবল, উপপরিদর্শক (এসআই) ও সার্জেন্ট পদে নিয়োগবিধিতে পরিবর্তন আনা হয়েছে। ইতিমধ্যে নতুন নিয়মে মেধা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে কনস্টেবল পদে ৩ হাজার ‘বেস্ট অব দ্য বেস্ট’ প্রার্থী নিয়োগ করা হয়েছে। এসআই পদে নিয়োগ চলমান, কনস্টেবল পদে আরও ৪ হাজার প্রার্থী নিয়োগের জন্য দরখাস্ত আহ্বান করা হয়েছে।

বেনজীর আহমেদ বলেন, দেশ ও জনগণের সেবায় নিবেদিত পুলিশ সদস্যদের কল্যাণে বিভিন্ন পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। এর অংশ হিসেবে কেন্দ্রীয় পুলিশ হাসপাতালকে গড়ে তোলা হচ্ছে বিশ্বমানের বিশেষায়িত হাসপাতাল হিসেবে। পুলিশ হাসপাতালে ক্যাথল্যাব স্থাপন করা হচ্ছে। ভবিষ্যতে ক্যানসারসহ অন্যান্য ইউনিট স্থাপন করা হবে। এ ছাড়া পুলিশ সদস্যদের সন্তানদের লেখাপড়ার সুবিধার্থে তাদের জন্য বিভাগীয় শহরে আধুনিক মানের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান গড়ে তোলা হচ্ছে বলেও জানান তিনি।

আইজিপি তাঁর বক্তব্যের শুরুতে বঙ্গবন্ধুর প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে বলেন, বঙ্গবন্ধু ও স্বাধীনতা ওতপ্রোতভাবে জড়িত। তিনি মুক্তিযুদ্ধে আত্মত্যাগকারী পুলিশ সদস্য এবং করোনাকালে প্রাণ হারানো পুলিশ সদস্যদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানান।

সভায় নোয়াখালী পুলিশ ট্রেনিং সেন্টারের (পিটিসি) কমান্ড্যান্ট (ডিআইজি) এস এম রোকন উদ্দিন, চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি আনোয়ার হোসেন, রেঞ্জাধীন বিভিন্ন জেলার পুলিশ সুপারসহ অন্য পুলিশ সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। সভায় কনস্টেবল থেকে পুলিশ সুপার পর্যন্ত বিভিন্ন পদবির পুলিশ কর্মকর্তা ও সদস্যরা তাঁদের বিভিন্ন বিষয় উত্থাপন করেন। এর আগে সকালে আইজিপি নোয়াখালী পুলিশ ট্রেনিং সেন্টারের ছয়তলাবিশিষ্ট একাডেমিক ভবন ও তিনতলা অস্ত্রাগার উদ্বোধন করেন।

বিকেলে নোয়াখালী জেলা পুলিশের বার্ষিক সমাবেশ ও ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় প্রধান অতিথি হিসেবে যোগ দেন বেনজীর আহমেদ। অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পুনাক (পুলিশ নারী কল্যাণ সমিতি) সভানেত্রী জীশান মীর্জা।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন