বিজ্ঞাপন

পিবিআই জানায়, ১০ অক্টোবর দিবাগত রাত তিনটার দিকে রায়হানকে কোতোয়ালি থানার বন্দরবাজার ফাঁড়িতে তুলে নিয়ে নির্যাতন করা হয়। নির্যাতনে রায়হান মারা যান। এ ঘটনায় তাঁর স্ত্রী তাহমিনা আক্তার পরদিন হেফাজতে মৃত্যু (নিবারণ) আইনে মামলা করেন। মামলায় আসামির নাম উল্লেখ করা হয়নি। মামলার পর মহানগর পুলিশের একটি অনুসন্ধান কমিটি তদন্ত করে ফাঁড়ি ইনচার্জ এসআই আকবর হোসেনসহ চারজনকে সাময়িক বরখাস্ত ও তিনজনকে প্রত্যাহার করে। বরখাস্ত হওয়া পুলিশ সদস্যদের মধ্যে হারুনও ছিলেন।

আকবর ১৩ অক্টোবর থেকে পলাতক। পুলিশ থেকে মামলাটির তদন্তভার পিবিআই হস্তান্তর হলে রায়হানের লাশ কবর থেকে তুলে পুনরায় ময়নাতদন্ত হয়। নির্যাতনের ঘটনা ধামাচাপা দিতে ফাঁড়ির ক্লোজড সার্কিট (সিসি) ক্যামেরার ভিডিও গায়েব, তথ্য গোপন করাসহ বরখাস্ত এসআই আকবরকে পালাতে সহায়তা করার দায়ে ২১ অক্টোবর ফাঁড়ির ‘টু-আইসি’ পদে থাকা এসআই হাসান উদ্দিনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন