গ্রেপ্তার ওই নেতার নাম খন্দকার রেজাউর রহমান ওরফে চয়ন (৪৫)। তিনি সালথার উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও সালথার গট্টি ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান। তাঁর বাবা মরহুম খন্দকার লতিফুর রহমান ওরফে মুকুল মিয়াও ওই ইউপির দীর্ঘদিনের চেয়ারম্যান ছিলেন।

জেলা গোয়েন্দা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রাকিবুল ইসলাম বলেন, সালথার সিংহপ্রতাপ গ্রামে পুলিশের ওপর হামলার মামলায় রেজাউর রহমানকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তিনি পুলিশের ওপর হামলা চালিয়েছিলেন ও পুলিশের কাজে বাধা দিয়েছিলেন। এ ঘটনায় গত ১৪ এপ্রিল ফরিদপুর সালথা থানায় একটি মামলা করা হয়। গ্রেপ্তারের পর রেজাউরকে সালথা থানা–পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে।

এলাকাবাসী ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, আওয়ামী লীগ নেতা রেজাউর গট্টিতে গ্রাম্যদলের নেতৃত্ব দিতেন। তিনি গত ১১ নভেম্বর ইউপি নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী হিসেবে অংশ নিয়েছিলেন। নির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী হাবিবুর রহমান বিজয়ী হন। এর পর থেকে রেজাউর আরেক বিদ্রোহী প্রার্থী যুবলীগের সাবেক নেতা খোরশেদ খানের সঙ্গে এক হয়ে গট্টি ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামে ইন্ধন ও নেতৃত্ব দিয়ে কয়েকটি সংঘর্ষে লিপ্ত হন। এতে ইউনিয়নের পরিবেশ উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। পরে সংঘর্ষ নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ গট্টিতে বিশেষ অভিযান চালিয়ে বেশ কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করে।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে ফরিদপুরের সহকারী পুলিশ সুপার (নগরকান্দা সার্কেলে) সুমিনুর রহমান বলেন, খন্দকার রেজাউর রহমানকে আজ রোববার দুপুরে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পরে রিমান্ড চাওয়া হতে পারে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন