বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

জানতে চাইলে জৈন্তাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গোলাম দস্তগীর আহমদ আজ দুপুরে প্রথম আলোকে বলেন, ‘এটা ভুল–বোঝাবুঝি হয়েছিল। তাঁর বড় ভাই (আওয়ামী লীগ নেতা লিয়াকত আলী) ও স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যানরা থানায় এসে এ ঘটনার জন্য দুঃখ প্রকাশ করেছেন। এরপর আটক ব্যক্তিকে তাঁদের জিম্মায় ছেড়ে দেওয়া হয়।

মুচলেকার বিষয়ে ওসি বলেন, এটা ঠিক মুচলেকা বলা যাবে না, সমাধান হয়েছে বলা যায়।

এদিকে উপজেলা আওয়ামী লীগের একজন নেতা প্রথম আলোকে জানান, লিয়াকত তাঁর ভাইকে ছাড়িয়ে নিয়ে যে পুলিশ সদস্যের সঙ্গে ঘটনা ঘটেছিল, তাঁকে ‘খুশি’ করায় তিনি তাঁর অভিযোগ প্রত্যাহার করে নিয়েছেন। এ ব্যাপারে আওয়ামী লীগ নেতা লিয়াকতের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তাঁর মুঠোফোন বন্ধ পাওয়া গেছে। তবে ঘটনার সময় তিনি প্রথম আলোকে বলেছিলেন, তিনি সিলেটে আছেন। পুলিশের কলার চেপে ধরার ঘটনাটি সত্য নয়।

পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্র জানায়, নিষেধাজ্ঞা অমান্য করায় সিলেটের তামাবিল মহাসড়ক দিয়ে চলাচলকারী কয়েকটি ইজিবাইক জব্দ করে জৈন্তাপুর থানা-পুলিশের একটি দল। সন্ধ্যায় জব্দ ইজিবাইকগুলো জৈন্তাপুর থানা প্রাঙ্গণে রাখা হয়। রাত আটটার দিকে একটি ইজিবাইক ছাড়িয়ে নিতে থানায় যান মো. ইসমাইল হোসেন। সেখানে কর্তব্যরত পুলিশের দুজন সদস্যের সঙ্গে তাঁর কথা-কাটাকাটি হওয়ার একপর্যায়ে এক পুলিশ সদস্যের কলার চেপে ধরেন তিনি।

এ ব্যাপারে মুঠোফোনে যোগাযোগ করলে ইসমাইল প্রথম আলোকে বলেন, ‘আমি কলার চেপে ধরিনি। ট্রাফিক পুলিশের সঙ্গে সামান্য কথা-কাটাকাটি হয়েছে। পুলিশ আমাকে বলেছে সরে যান। আমি বলছি, আমি এই এলাকার মেম্বার, সরে যাব কই, সরবেন তো আপনারা—কথার জেরে আমাকে আটক করা হয়েছে। সেখানে পুরো ঘটনা জেনে আমার ভাই ও চেয়ারম্যানের উপস্থিতিতে ঘটনা নিষ্পত্তি হয়েছে। কথা-কাটাকাটি যাঁর সঙ্গে হয়েছিল, তাঁকে সরি বলেছি।’

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন