বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

গতকাল রাতে কুমিল্লা সিটি করপোরেশন এলাকার একটি গোপন আস্তানা থেকে ব্রাহ্মণপাড়া থানা–পুলিশ লোকমানসহ তাঁর সহযোগীদের গ্রেপ্তার করে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, লোকমান হোসেনের বিরুদ্ধে খুন, ডাকাতি, মাদক ও চুরির ৮-৯টি মামলা রয়েছে। ৩ আগস্ট রাতে লোকমান হোসেনকে গ্রেপ্তার করতে তাঁর বাড়িতে এসআই মো. সাইফুল ইসলামের নেতৃত্বে একদল পুলিশ অভিযান চালায়। পুলিশ তাঁকে আটক করে দেহ তল্লাশি শুরু করে।

এ সময় লোকমানের প্রায় ২০-২২ জন সহযোগী দা ও লাঠিসোঁটা নিয়ে পুলিশের ওপর হামলা চালিয়ে লোকমানকে ছিনিয়ে নেয়। এতে এসআই মো. সাইফুল ইসলাম ও এসআই মো. কামাল হোসেন, সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) কৃষ্ণ সরকার ও পুলিশ কনস্টেবল নুরুজ্জামান আহত হন। এ সময় হামলাকারীরা পুলিশের ব্যবহৃত দুটি মোটরসাইকেলও ভাঙচুর করে। ওই দিন ঘটনাস্থল থেকে হামলার ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে আবুল কালাম আজাদ, ইকবাল হোসেন ও এনামুল হককে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

পুলিশের ওপর হামলা ও সরকারি কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগে ব্রা‏হ্মণপাড়া থানার উপপরিদর্শক (এসআই) সাইফুল ইসলাম ৩ আগস্ট রাতে রাতে বাদী হয়ে আবুল কালাম আজাদ ওরফে খোকনকে প্রধান আসামি করে ১০ জনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাতনামা ১০ থেকে ১২ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেন। এরপর থেকেই থেকে লোকমান হোসেন পালিয়ে বেড়াচ্ছিলেন।

ব্রা‏হ্মণপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) অপ্পেলা রাজু নাহা প্রথম আলোকে বলেন, লোকমানসহ তাঁর সহযোগীদের গতকাল রাতে কুমিল্লা শহরের একটি বাসা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তারদের আজ আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। লোকমানকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সাত দিনের রিমান্ড চাওয়া হয়েছে। রিমান্ড শুনানি হয়নি।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন