শনিবার দুপুরে তিনি ওই ৪ জনের ভিসার জন্য ১০ লাখ ৩৫ হাজার টাকা নিয়ে নরসিংদী হয়ে ঢাকা যাচ্ছিলেন। ওই টাকা ভিসা প্রদানকারী ব্যক্তির বাড়ি নরসিংদীতে পৌঁছে দেওয়ার কথা ছিল। বেলা সাড়ে ১১টার দিকে ভগ্নিপতি শাহজাহানসহ কয়েকজন ব্যক্তিকে সঙ্গে নিয়ে নিজ বাড়ি থেকে তিনি সিএনজিচালিত দুটি অটোরিকশাযোগে প্রথমে উপজেলা সদরের দিকে আসছিলেন।

সরাইল-নাসিরনগর সড়কের ধরন্তী ঘাট এলাকায় পৌঁছে তাঁরা অটোরিকশা পরিবর্তন করেন। এ সময় টাকাভর্তি ব্যাগটি অটোরিকশায় থেকে যায়। কিছুক্ষণ পর টাকার কথা মনে হলে তাঁরা ছোটাছুটি শুরু করেন। অনেক খোঁজাখুঁজি করে ওই অটোরিকশার সন্ধান না পেয়ে বিকেল পাঁচটার দিকে বিষয়টি সরাইল থানা-পুলিশে অবহিত করেন।

সরাইল থানার উপপরিদর্শক হোসেনে মোবারক সন্ধ্যা সাতটার দিকে অটোরিকশার চালক বাবুল মিয়াকে আটক করে থানায় নিয়ে যান। বাবুল শুরু থেকেই টাকা পাওয়ার বিষয়টি অস্বীকার করতে থাকেন। পরে রাত ১০টার দিকে চালক টাকা পাওয়ার বিষয়টি স্বীকার করেন।

বাবুল মিয়ার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশ রাত ১১টার দিকে তাঁর পরিবারের কাছে থেকে টাকা উদ্ধার করে। রাত ১২টার দিকে লোকমান মিয়া পুরো টাকা ফেরত পান।

লোকমান মিয়া প্রথম আলোকে বলেন, শনিবার রাতেই তাঁর সৌদি আরব ফিরে যাওয়ার কথা ছিল। ভুলের কারণে যেতে পারেননি। তাতে লাখ টাকার ক্ষতি হলেও পুলিশের সহায়তায় বড় ধরনের ক্ষতি থেকে রক্ষা পেয়েছেন।

সরাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আসলাম হোসেন বলেন, অনেক কৌশল খাঁটিয়ে অটোরিকশাটি ও চালককে চিহ্নিত করে পুরো টাকা উদ্ধার করে প্রকৃত মালিকের হাতে পৌঁছে দিতে পেরেছেন। এটি পুলিশের কাজেরই একটি অংশ। এ জন্য মালিককে কোনো টাকা খরচ করতে হয়নি।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন