বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

‘বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি ফরিদপুর জেলা শাখা’-এর ব্যানারে মুজিব সড়কসংলগ্ন ফরিদপুর প্রেসক্লাব চত্বরে অনশন কর্মসূচি পালন করা হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন জেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ মোদাররেছ আলী।

এতে কেন্দ্রীয় বিএনপির সাবেক মহাসচিব কে এম ওবায়দুর রহমানের মেয়ে শামা ওবায়েদ ছাড়াও অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন জেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম সম্পাদক জুলফিকার হোসেন, সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক আলী আশরাফ, জেলা যুবদলের সাবেক সভাপতি আফজাল হোসেন, (ফরিদপুর) মহানগর যুবদলের সভাপতি বেনজীর আহমেদ, জেলা যুবদলের সভাপতি রাজীব হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর হোসেন।

এদিকে বিবদমান জেলা বিএনপির অপর অংশ জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম সম্পাদক ও সাবেক মন্ত্রী চৌধুরী কামাল ইবনে ইউসুফের মেয়ে নায়াব ইউসুফের নেতৃত্বে ‘জেলা, শহর ও কোতোয়ালি বিএনপি’-এর ব্যানারে ফরিদপুর মুজিব সড়কসংলগ্ন আলীপুর মোড় এলাকায় অনশন কর্মসূচি পালন করা হয়। এতে নায়াব ইউসুফ ছাড়া অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন জেলা বিএনপির সাবেক সহসভাপতি আজম খান, এ এফ এম কাইউম, জেলা যুবদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক এ কে কিবরিয়া, শহর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক গোলাম মোস্তফা, (ফরিদপুর) মহানগর যুবদলের সম্পাদক আলী রেজোয়ান বিশ্বাস, জেলা ছাত্রদলের সভাপতি সৈয়দ আদনান হোসেন, সাধারণ সম্পাদক তানজিমুল হাসান প্রমুখ।

জেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ মোদাররেছ আলী অভিযোগ করে বলেন, ‘আমাদের অনশন কর্মসূচি সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। আমরা পুলিশের কাছ থেকে অনুমতিও নিয়েছিলাম। কিন্তু দুপুর ১২টার দিকে পুলিশ এসে আমাদের উঠিয়ে দিয়েছে। ফলে আমরা আমাদের কর্মসূচি শেষ করতে পারিনি।’

default-image

অন্যদিকে জেলা যুবদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক এ কে কিবরিয়া বলেন, ‘আমরা পুলিশের বাধার কারণে পরিকল্পনামতো কর্মসূচি পালন করতে পারিনি। কর্মসূচি পালন উপলক্ষে একটি মঞ্চ বানানো হয়। কিন্তু সকাল সাড়ে ৯টার দিকে পুলিশের আপত্তির কারণে মঞ্চ অপসারিত করা হয়। এ ছাড়া দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে বাঁশি ফুঁ দিয়ে পুলিশ আমাদের উঠিয়ে দেয়। ফলে আমরা শান্তিপূর্ণভাবে এবং নির্ধারিত সময়ে কর্মসূচি শেষ করতে পারিনি।’

ফরিদপুর কোতোয়ালি থানার পরিদর্শক (অপারেশন) আবদুল গফফার বলেন, ‘বিএনপির মঞ্চ চাপ দিয়ে ভেঙে নিতে বাধ্য করেনি পুলিশ। কর্মসূচিতেও বাধা দেওয়া হয়নি। তাঁদের অনুরোধ করা হয়েছে তাড়াতাড়ি অনুষ্ঠান শেষ করতে। তারা আমাদের কথা রেখেছেন। সেখানে বল প্রয়োগের কোনো ঘটনা ঘটেনি।’

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন