বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

ঘটনাটি গতকাল সোমবার সন্ধ্যার। মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে, সন্ধ্যায় শহরের বিসিক ফুলবাড়ি এলাকায় সাতমাথা-মাটিডালি সড়কে মোহাম্মদ রকি (২৭) নামের একজন আরোহীকে নিয়ে উল্টো পথে মোটরসাইকেল চালিয়ে যাচ্ছিলেন রেজওয়ান। বিপরীত দিক থেকে একজন কনস্টেবলসহ সাতমাথার দিকে যাচ্ছিলেন পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) বগুড়া কার্যালয়ে কর্মরত এসআই আহসান হাবিব। এসআই আহসান হাবিবের মোটরসাইকেলের সঙ্গে উল্টো পথে চালানো আরমানের মোটরসাইকেলের ধাক্কা লাগে। এ নিয়ে বাগ্‌বিতণ্ডার জেরে ওই এসআই ও তাঁর সঙ্গে থাকা এক কনস্টেবলকে মারধর করেন আরমান। পরে অন্য পুলিশ সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছালে তাঁদেরকেও মারধর করেন তিনি। পরে ফুলবাড়ি ফাঁড়ি পুলিশের সহযোগিতায় আরমানকে আটক করা হয় এবং রকি মোটরসাইকেল নিয়ে পালিয়ে যান।

পরিবারের দাবি, রাত সাড়ে ৯টার দিকে ১২-১৫ জন পুলিশ বাসা থেকে আরমানকে তুলে নিয়ে পেশাদার অপরাধীর মতো হ্যান্ডকাফ লাগিয়ে, চোখ বেঁধে গাড়িতে তুলে নিয়ে যায়। পুলিশের ওপর হামলা ও মারধরের অভিযোগ পুরোটাই সাজানো।

তবে রেজওয়ানের বড় বোন জান্নাতুল ফেরদৌস প্রথম আলোকে বলেন, তাঁর ভাই মেধাবী ছাত্র। ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে এসএসসি এবং সরকারি আজিজুল হক কলেজ থেকে এইচএসসি পাসের পর একই কলেজে ব্যবস্থাপনা বিভাগে পড়াশোনা করছেন। সংসারে অসচ্ছলতার কারণে পড়াশোনার ফাঁকে অনলাইনে মোটরগাড়ির পার্টসের ব্যবসাও করেন।

জান্নাতুলের দাবি, ‘ব্যবসার কাজেই সোমবার সন্ধ্যায় বিসিক এলাকার একটি দোকানে কাজ সেরে মোটরসাইকেল চালিয়ে ফুটপাত ধরে মাটিডালির দিকে যাচ্ছিল আরমান। উল্টো পথে মোটরসাইকেল চালানোর অপরাধে পুলিশ কর্মকর্তা আসহান হাবীব প্রথমে আরমানকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেন। এতে সামান্য বাগ্‌বিতণ্ডা হয়। পুলিশ পরিচয় জানার পর রেজওয়ান ঘটনার জন্য ক্ষমা চেয়ে বাসায় ফেরে। রাত সাড়ে ৯টার দিকে ১২-১৫ জন পুলিশ বাসা থেকে আরমানকে তুলে নিয়ে পেশাদার অপরাধীর মতো হ্যান্ডকাফ লাগিয়ে, চোখ বেঁধে গাড়িতে তুলে নিয়ে যায়। পুলিশের ওপর হামলা ও মারধরের অভিযোগ পুরোটাই সাজানো। তুচ্ছ ঘটনার জেরে আমার ভাইকে বাসা থেকে তুলে নিয়ে মিথ্যা অভিযোগে অনেকগুলো ধারায় মামলা দিয়ে কারাগারে পাঠিয়েছে।’

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন