বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

পুলিশ জানায়, ওসমানপুর গ্রামের আবুল কাশেমের ছেলে মহিদুল ইসলামের মৌখিক অভিযোগের ভিত্তিতে ওই তিনজনকে আটক করা হয়। পরে মহিদুল ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা করেন। ওই মামলায় তাঁদের গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। আজ মঙ্গলবার তাঁদের আদালতে সোপর্দ করার কথা রয়েছে।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, মহিদুল ইসলামের ভাতিজা নাফিজ আহমেদের সঙ্গে উজ্জ্বল হোসেনের মুঠোফোনে কথা হয়। উজ্জ্বল নিজেকে পুলিশের ডিআইজি বলে পরিচয় দেন। তিনি নাফিজকে পুলিশ কনস্টেবল পদে চাকরি দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন। তবে এই নিয়োগের জন্য তিনি আট লাখ টাকা দাবি করেন। আর টাকা দিতে নাফিজ ও মহিদুলকে উৎসাহিত করেন উজ্জ্বলের দুই সহযোগী আবদুল্লাহ আল মামুন ও আবদুল লতিফ।

একপর্যায়ে উজ্জ্বলের দেওয়া বিকাশ নম্বরে ৩৯ হাজার ৫০০ টাকা পাঠান মহিদুল। টাকা পাঠানোর পরে উজ্জ্বলের কথাবার্তায় সন্দেহ হয়। এ অবস্থায় মহিদুল আলমডাঙ্গা থানায় যোগাযোগ করেন। তখন থানা–পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়, উজ্জ্বল হোসেন নামে ডিআইজি পদে কেউ নেই।

আলমডাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আলমগীর কবির বলেন, মহিদুলের মৌখিক অভিযোগের ভিত্তিতে ওই তিনজনকে আটক করা হয়েছে। পরে মহিদুল ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা করেছেন। ওই মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে তাঁদের আজ আদালতে সোপর্দ করার প্রক্রিয়া চলছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন