বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

নিহত ব্যক্তির নাম মুহাম্মদ সোহেল (৩৬)। তিনি কর্ণফুলী উপজেলার শিকলবাহা এলাকার ফসিল গ্যাসপাম্পের ব্যবস্থাপক। এ ঘটনায় আরও তিনজন আহত হন। আহত ব্যক্তিরা হলেন মো. সাজ্জাদ (২০), সাদ্দাম হোসেন (৩০) ও জয়নাল আবেদীন (৩৪)। তাঁরা কাশিয়াইশ ইউনিয়নের বাসিন্দা।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত বছরের ২৬ ডিসেম্বর কাশিয়াইশ ইউপি নির্বাচনের ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। নিবার্চনের সময় থেকেই আবুল কাশেম ও তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী মোহাম্মদ কায়েসের মধ্যে বিরোধ চলে আসছিল। দুই পক্ষের সমর্থকদের মধ্যে নিবার্চনের সময় একাধিক বার সংঘর্ষও হয়।

মুহাম্মদ সোহেলের পরিবারের ভাষ্য, গতকাল রাতে তারাবিহ নামাজ শেষে সোহেল ও তাঁর ভাইয়ের সমর্থকেরা জানতে পারেন বুধপুরা বাজার এলাকায় তাঁদের লোকজনকে কায়েস ও তাঁর সমর্থকেরা মারধর করছেন। খবর পেয়ে তাঁরা বুধপুরা বাজার এলাকায় পৌঁছালে কায়েসের লোকজন অতর্কিতে সোহেলসহ চারজনকে ছুরিকাঘাত করে পালিয়ে যান। এ সময় গুরুতর আহত অবস্থায় সোহেলকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে সোহেলের মৃত্যু হয়।

ইউপি চেয়ারম্যান আবুল কাসেম অভিযোগ করে বলেন, তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী পরাজিত চেয়ারম্যান প্রার্থী মোহাম্মদ কায়েসসহ তাঁর সমর্থক শরীফ এ হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত।

তবে অভিযোগের বিষয়ে মোহাম্মদ কায়েস বলেন, ঘটনার সময় তিনি ওই এলাকায় ছিলেন না। নির্বাচনের সময় শরীফ তাঁর সমর্থন দিয়েছিলেন। তবে ১০ দিন আগে কাসেম চেয়ারম্যান শরীফের বিরুদ্ধে একটি মিথ্যা মামলা করেছিলেন। গত সপ্তাহে শরীফ ওই মামলায় জামিন পান। গতকাল ইফতারের পর কাসেম চেয়ারম্যানের সমর্থক শরীফকে সোহেল মারধর করেন। পরে শরীফকে তাঁর বাবা অটোরিকশায় করে চিকিৎসকের কাছে নিয়ে যাচ্ছিলেন। পথে শরীফসহ তাঁর বাবাকে কাসেম চেয়ারম্যানের লোকজন বুধপুরা বাজারে আবার মারধর করেন। এ সময় শরীফ আত্মরক্ষা করতে গেলে হয়তো এ ঘটনা ঘটে বলে তিনি ধারণা করছেন।

পটিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রেজাউল করিম মজুমদার বলেন, ইউপি নির্বাচনের সময়ের পূর্ববিরোধের জেরে এ হত্যাকাণ্ড ঘটে থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে নিহত ব্যক্তির পরিবারের পক্ষ থেকে এখনো কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন