বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

বিষয়টি বুঝতে পেরে অমিত রায় ঝিনাইদহ আদালতে ৮ সেপ্টেম্বর একটি পিটিশন দাখিল করেন। পরবর্তী সময়ে আদালত আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিত ভালো রাখতে জমিতে ১৪৪ ধারা জারির মাধ্যমে কোনো প্রকার স্থাপনা বা কাজ না করার জন্য নির্দেশ দেন। এ বিষয়ে উভয় পক্ষকে নোটিশও দেওয়া হয়।

অমিত রায় অভিযোগ করেন, আলা উদ্দিন ক্ষমতার জোরে জমি দখল করে নিয়েছেন। আদালতে নির্দেশ থাকার পরও ওই জমিতে ঘর নির্মাণ করছেন। তাঁকে কিছু বলতে গেলে মারধর ও হত্যার হুমকি দেওয়া হচ্ছে। জমির বিক্রেতা সুবোধ রায় বলেন, ‘আমরা জমি বিক্রি করেছি পূর্ব পাশে। কিন্তু আলা উদ্দিন ক্ষমতা দেখিয়ে পশ্চিম পাশ দখল করেছেন। আমরা সংখ্যালঘু পরিবার হওয়ায় তাঁর বিরুদ্ধে কিছু বলতে পারছি না।’

এ ব্যাপারে অভিযুক্ত আলা উদ্দিন সাংবাদিকদের বলেন, তাঁর কেনা জমি বুঝিয়ে দিতে বললে বিক্রেতারা দিচ্ছেন না। সর্বশেষ তাঁরা এই স্থান দেখিয়েছেন, যেখানে তিনি ঘর করছেন। আদালতের নিষেধের বিষয় তাঁর জানা নেই।

বেতাই চণ্ডীপুর পুলিশ ক্যাম্পের সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) খোরশেদ আলী বলেন, আদালত থেকে নোটিশ পাওয়ার পর উভয় পক্ষকে নোটিশ দেওয়া হয়েছে। নোটিশ পাওয়ার পরও একটি পক্ষ তা অমান্য করে ঘর নির্মাণ করছিল। ঘটনা শোনার পর সব কার্যক্রম বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন