বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

হাসপাতালটির পরিচালক মোহাম্মদ নুরনবী জানান, গাঙ্গুরিয়া গ্রামের জাহাঙ্গীর আলমের স্ত্রী ফিরোজাকে গতকাল শুক্রবার বিকেলে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সকালে তাঁর অস্ত্রোপচার করেন নূর মোহাম্মদ। অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে সফলভাবে জোড়া যমজ কন্যাশিশুর জন্ম দেন ফিরোজা বেগম। জন্মের পর শিশু দুটি ভালোই ছিল। নওগাঁয় জোড়া লাগা শিশুর চিকিৎসা নেই। তাই দুপুরের দিকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয় তাদের।

চিকিৎসক নূর মোহাম্মদ বলেন, বাংলাদেশেই জোড়া লাগা যমজ শিশুর চিকিৎসা সম্ভব। তবে এই চিকিৎসা খুবই ব্যয়বহুল। বিত্তবান মানুষ ছাড়া এই ধরনের চিকিৎসা করানো খুবই কঠিন।

যমজ নবজাতকের বাবা জাহাঙ্গীর আলম পেশায় একজন কৃষক। নিজের সামান্য কিছু জমি ও অন্যের জমি বর্গা নিয়ে চাষাবাদ করে কোনোরকমে সংসার চলে তাঁর। জোড়া যমজ শিশুর চিকিৎসা করার মতো তাঁর সামর্থ্য নেই।

জোড়া যমজ কন্যাশিশুর বাবা জাহাঙ্গীর আলম বলেন, ‘চিকিৎসক কছে, সন্তান দুটা বাঁচাতে হলে নাকি জরুরিভাবে অপারেশন করাতে হবে। সেটা নাকি অনেক খরচ। হামার সন্তান দুটাক বাঁচাতে সরকার ও সমাজের বিত্তবান মানুষের কাছে হামি সাহায্য চাই।’

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন