default-image

সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের ছোট ভাই আবদুল কাদের মির্জা নির্বাচন ও তাঁর বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র চলছে বলে অভিযোগ করেছেন। তাঁর অভিযোগ, ‘ভোটের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র চলছে, আমার বিরুদ্ধেও ষড়যন্ত্র চলছে। পোলিং, প্রিসাইডিং অফিসার দিছে বিএনপি-জামায়াতের। একটাও আওয়ামী লীগ নাই। এগুলো সব ঢাকা থেকে কিছু নেতা করছেন, ওবায়দুল কাদের সাহেব কিছু বলেন না।’

আজ মঙ্গলবার সকালে নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জের বসুরহাটের একটি মিলনায়তনে নৌকা মার্কার সমর্থনে আয়োজিত এক কর্মীসভায় আবদুল কাদের মির্জা এসব কথা বলেন। তিনি ১৬ জানুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য বসুরহাট পৌরসভা নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মেয়র প্রার্থী। সমাবেশে উপজেলা ও পৌর আওয়ামী লীগের নেতারা উপস্থিত ছিলেন। সভায় সাংবাদিকদের প্রবেশাধিকার না থাকলেও কোনো কোনো ফেসবুক আইডিতে অনুষ্ঠানটি লাইভ প্রচারিত হয়।

বিজ্ঞাপন

কর্মিসভায় মেয়র প্রার্থী আবদুল কাদের মির্জা বলেন, ‘আজকে নির্বাচন কমিশনার শাহাদাত সাহেব (শাহাদাত হোসেন চৌধুরী) আসার কথা, আসেননি। আহম্মদ হোসেন নামের একজন আছেন, দলের সাংগঠনিক সম্পাদক। তিনি যে কথা বলেছেন, তা দলের জন্যও ক্ষতিকর। তিনি বলেছেন, “মির্জা কাদের তো ওবায়দুল কাদেরের ভাই হিসেবে কথা বলছেন।” আমি ওবায়দুল কাদেরের ভাই হয়ে বলতে পারলে ওরা বলে না কেন, গলা টিপে ধরবে?’

পুলিশ প্রশাসনের সমালোচনা করে সেতুমন্ত্রীর ভাই বলেন, ‘আমাকে মুঠোফোনে হুমকি দিয়েছে যুব মহিলা লীগ পরিচয় দিয়ে। ওই নারীর নম্বর ট্র্যাকিং করে তাঁর নাম-পরিচয় বের করা হয়েছে। এখন পর্যন্ত কোনো ব্যবস্থা নেয়নি। এটা থেকে কী প্রমাণিত হয়, আপনারা বোঝেন। দলের দুর্নীতিবাজদের বিচার হইছে, প্রশাসনের হয়নি; এ কথা বলায় প্রশাসন বিরুদ্ধে চলে গেছে।’ আবদুল কাদের মির্জা আরও বলেন, ‘ষড়যন্ত্র করলে এর দায় আমাদের নেতা ওবায়দুল কাদেরকে প্রথমে নিতে হবে। তিনি এখানকার এমপি, তারপর নির্বাচন কমিশনার শাহদাত হোসেন চৌধুরী, ডিসি, এসপি ও নির্বাচন কর্মকর্তাকে নিতে হবে। একরাম ও নিজাম হাজারীর ষড়যন্ত্রে এসব হচ্ছে।’

আবদুল কাদের মির্জা বলেন, ‘শেখ হাসিনা আর হামিদ সাহেব (রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ) ছাড়া আর কোন কোন নেতা ভালো আছেন? আছেন নিশ্চয়ই কয়েকজন। তবে এই দুজন ভালো। শেখ হাসিনা যা করছেন, সেটা বিরল। হামিদ সাহেব বিরোধী দলে থাকাকালেও সাংসদ নির্বাচিত হয়েছেন। কত জনপ্রিয়তা থাকলে, কত ভালো মানুষ হলে এমন হয়।’

মন্তব্য করুন