বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

পুলিশ ও পরিবার সূত্রে জানা যায়, ৩ নম্বর ব্লকের মুমিন মিয়ার বাড়িটি তিনতলা। ওই বাড়ির নিচতলার একটি কক্ষে প্রাইভেট পড়াতেন ফারুক হোসেন নামের এক শিক্ষক। রহিমাও সেখানে পড়ে। সোমবার বেলা তিনটার দিকে পড়তে যায় সে। কিন্তু ফারুককে পড়ার ঘরে না পেয়ে কিছু সময়ের জন্য বাসার ছাদে ওঠে সে। কিন্তু এরপর দীর্ঘ সময় পার হয়ে গেলেও নিচে নামছিল না সে। এর মধ্যেই বাতাসে একধরনের পোড়া গন্ধ পায় স্থানীয় লোকজন। পরবর্তী সময়ে কারণ খুঁজতে গিয়ে বাসার পাশেই একটি বৈদ্যুতিক তারে ঝুলন্ত অবস্থায় রহিমার মরদেহ পাওয়া যায়।

টঙ্গী পূর্ব থানার উপপরিদর্শক মো. রাজিব বলেন, মূলত শিক্ষককে বাসায় না পেয়ে বাসার ছাদে ওঠে সে। ধারণা করা হচ্ছে, সেখানে খেলতে গিয়ে হঠাৎ পা পিছলে নিচের বৈদ্যুতিক তারের সঙ্গে বেঁধে যায় সে। এরপর সেখানেই বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মারা যায়। এ ব্যাপারে শিক্ষকের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা চলছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন